একেই শীতকাল। এই সময় ঘুরতে বহু মানুষ যায়। আর ঘুরতে গেলে সবার আগে মাথায় আছে পাহাড়ের কথা। কিন্তু এই সময় উত্তরবঙ্গে গেলে পরে পর্যটকদের ভিড় চোখে পড়ার মতন থাকে। কিন্তু আপনি যদি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে চান তাহলে যেতে পারেন, কালিম্পংয়ের এই অফবিট গ্ৰামে। যেখানে গেলে সকাল হোক বা রাতের বেলা শীতের হালকা ঠান্ডার আমেজ উপভোগ করবেন। এই স্বল্প পরিচিত জায়গাটি হল কালিম্পয়ের (Kalimpong) এর ডুকা ভ্যালি। এখানে গেলে আপনি প্রাকৃতিক পরিবেশ মন ভরে উপভোগ করতে পারবেন।
শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন কালিম্পং এর স্বল্প পরিচিতি এই গ্রাম থেকে (Kalimpong)
কালিংপং এর অফ বিট গ্রাম ডুকা ভ্যালি। যদিও কালিম্পং (Kalimpong) এর এই ভ্যালি উত্তরবঙ্গের একটি অত্যন্ত মনোরম ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর জায়গা। এখানকার সুন্দর পরিবেশ ও বিচিত্র বন্যপ্রাণী পর্যটকদের মন কাটতে বাধ্য। তাছাড়া এই ড়ুকা ভ্যালি কালিম্পং গ্রামের অবস্থিত। যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০০-১৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত রয়েছে।

আরও পড়ুন: উচ্চ মাধ্যমিকের মার্কশিটে ইউভি থ্রেড, জাল ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ শিক্ষা সংসদের
এটি লাভা ও পেডিং এর ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। পাহাড়ের উঁচু-নিচু পথ ধরে যত ওপরে উঠবেন আপনাকে নির্জনতা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ঘিরে ধরবে। তার মাঝে আপনি পৌঁছে যাবেন ডুকা ভ্যালি। এই নিরিবিলি গ্রামে আপনি শুনতে পাবেন পাখিদের কোলাহল ও ছাগে জলপ্রপাতের।
এই জায়গায় আসার আদর্শ সময় হলেও শীতকাল। কারণ এখানে ঠান্ডা থাকলেও একেবারে আকাশ পরিস্কার থাকে। তাই এখানে ঘুরতে যেতে কোন সমস্যা হয় না। পাশাপাশি ডুকা ভ্যালি ঘুরতে আসলে আপনি ঘুরতে যেতে পারেন, তেন্দ্রাবং, মাইরুং গাঁও, রিকিসুম, ফতেমা গাঁওয়ের মতো জায়গা। এ ছাড়া ঘুরে নিতে পারেন লাভা, লোলেগাঁও, রিশপ ইত্যাদি জায়গায়।
কীভাবে যাবেন ও কোথায় থাকবেন?
শিয়ালদহ থেকে উত্তর বঙ্গগামী ট্রেনে চেপে অথবা বাসে করে পৌঁছে যান শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়ি। তারপর সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছিয়ে যান কালিংপং (Kalimpong) এর ডুকা ভ্যালি। এছাড়াও শিলিগুড়ি থেকে বাসে দার্জিলিং হয়েও আপনি এখানে যেতে পারেন। তাছাড়া এখানে থাকার জন্য বেশ কিছু ছোট ছোট হোটেল ও হোম স্টে রয়েছে। তবে পরিবার নিয়ে আসলে পরে আগের থেকে বুকিং করে আসা শ্রেয়।












