২০১৮-এর পর ফের প্রধান বিচারপতির পদে বাঙালি, কলকাতা হাই কোর্টের দায়িত্ব পেলেন সুজয় পাল

Published on:

Published on:

Justice Sujoy Paul Appointed Chief Justice of Calcutta High Court
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) নতুন প্রধান বিচারপতি পেল রাজ্য। এতদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকা বিচারপতি সুজয় পালকেই এবার স্থায়ীভাবে ওই পদে নিয়োগ করা হল। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের অনুমোদনের পর কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁর নাম চূড়ান্ত হয়েছে।

হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি পদে বিচারপতি সুজয় পাল

এর আগে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি পদ থেকে অবসর নেন বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। তাঁর অবসরের পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। উল্লেখ্য, এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে সুপারিশ করা হয়। সেই সুপারিশ কার্যকর হওয়ার পরই বিচারপতি সুজয় পাল কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পান।

বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি এলএলবি ডিগ্রি সম্পূর্ণ করেন।

আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করার পর ২০১১ সাল থেকে জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি পাল। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস শুরু করায় তাঁকে বদলি করা হয় তেলঙ্গানা হাইকোর্টে। ২০২৫ সালের ২৬ মে, বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম বিচারপতি সুজয় পালকে কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) বদলির সুপারিশ করে।

Calcutta High Court Reserves Order on Yuvabharati Chaos Case

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা চিহ্নিত করবে AI! আসছে নতুন ‘টুল’, ১০০% সাফল্যের দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের পর কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) আর কোনও বাঙালি বিচারপতি প্রধান বিচারপতি হননি। নতুন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারিক কাজকর্ম আরও গতিশীল হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।