বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির মুখের লড়াইকে ঘিরে। বাঁকুড়ার সভা থেকে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে লক্ষ্য করে যে কড়া মন্তব্য করেন, তা ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে রবিবার ময়নাগুড়ির সভা থেকে সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।
কী বলেছিলেন অভিষেক?
শনিবার বাঁকুড়ার এক রাজনৈতিক সভা থেকে বিজেপিকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপি নাকি ভদ্র, শিক্ষিত বা সভ্য মানুষের দল নয়। অভিষেকের বক্তব্য অনুযায়ী, “কোনও ভদ্রলোক, ভাল লোক, শিক্ষিত লোক, মার্জিত লোক, সভ্য লোক বিজেপি করে না। যত মদ্যপ, মাতাল, পাতাখোর, দুনম্বরি, চোর, চিটিংবাজ, গাঁজাখোর, সব ভারতীয় জনতা পার্টিতে।” এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর বিতর্ক।
অভিষেকের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)
রবিবার ময়নাগুড়িতে এক সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের কড়া জবাব দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সরাসরি অভিষেককে নিশানা করে সুকান্ত বলেন, “ভাইপো বলছেন, আপনাদের জানিয়ে রাখি, ভাইপো কিন্তু ১২ পাশ! আবার উনিই বলছেন, বিজেপি নাকি পাতাখোর, নেশাখোররা করে।”
এর পর বিজেপির সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “আমাদের বাংলায় ১৩০০ মণ্ডল রয়েছে। তার মধ্যে ৭০ শতাংশ মণ্ডল সভাপতি গ্র্যাজুয়েট। ডাক্তারবাবু জয়ন্ত রায় বিজেপি করেন। আমাদের প্রত্যেক নেতা দেশের প্রতি নিষ্ঠার প্রমাণ রেখেছেন।”

আরও পড়ুনঃ SIR বিতর্কে বিস্ফোরক অভিযোগ, ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ ইস্যুতে কমিশনকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
উল্লেখ্য, এদিন সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বক্তব্যে স্পষ্ট যে, বিজেপিকে নিয়ে করা অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদার এদিন দলের কর্মী ও নেতাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত পরিচয় তুলে ধরে তৃণমূলের আক্রমণের জবাব দেন।












