বাংলা হান্ট ডেস্কঃ হকার উচ্ছেদের মাঝে কলেজ স্ট্রিটের দোকান উচ্ছেদ (College Street Shops Eviction) হতে পারে বলে আশঙ্কার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল ফুটপাতে থাকা কয়েকশো দোকানের। যদিও আগেই জানা গিয়েছিল এমনট কিছুর পরিকল্পনা নেই। তবে এবার প্রকাশ্যে এল সরকারে প্ল্যান। তবে কি বইপড়ার দোকান থাকবে না? এবার সবটা সব প্রশ্নের জবাব দিলেন রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)।
তুলে দেওয়া হবে কলেজ স্ট্রিটের বই পাড়ার দোকান?
রেলের হকার উচ্ছেদ শুরু হতেই কোথাও প্রশংসা তো কোথাও আবার অসহায় মানুষদের রুজিরুটি হারা করছে বলে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। ইতিমধ্যেই সেই বিষয়ে মামলা হয়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে কলেজস্ট্রিটের বইপাড়ার কি হবে এই নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন দোকানি থেকে বইপ্রেমীরা। তাই সম্প্রতি সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে চিন্তা মুক্ত করলেন খোদ পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
সরকারের সিদ্ধান্ত জানালেন অগ্নিমিত্রা পাল
গত রবিবার আসানসোলের জেলা গ্রন্থাগারে একটি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিনি। সেখানে অগ্নিমিত্রা জানান, ‘আমরা নির্দিষ্ট দফতরকে জানিয়েছি অক্সফোর্ড স্ট্রিটের মত করে কলেজ স্ট্রিটকে সাজানোর পরিকল্পনা নিতে। ট্রাম চলবে, রাস্তা দূষণমুক্ত হবে, সাইকেল চালিয়ে যাতায়াতের জন্য থাকবে আলাদা লেন। কোলাহল বা আওয়াজ থাকবে না, গান শুনতে ইচ্ছা হলে হেডফোন ব্যবহার করতে হবে। বর্তমানে কলেজ স্ট্রিটের রাস্তায় যে এল রয়েছে সেটা বদলে বিদেশে যেমন পুরোনো দিনের আলো লাগানো হবে। কলেজ স্ট্রিটের রাস্তায় ঘুরে একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেটার বাস্তবায়ন করতে চাই’।
আরও পড়ুনঃ ২১শে জুলাইয়ের আগে নতুন বিপদ! মঞ্চের মাপজোক করতেই কুণালদের বিরুদ্ধে দায়ের FIR
তাঁর মতে, বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ অনেকটাই কমেছে। বদলে মোবাইলের প্রতি বাড়ছে আসক্তি ও উৎসাহ। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে ও দেশের সেরা বইমেলা হিসাবে কলকাতর বইমেলাকে তুলে ধরতে কলেজ স্ট্রিটকে সাহায্যে চাইছি।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের কবি, সাহিত্যিক থেকে শুরু করে যে সমস্ত সংস্কৃতিপ্রিয় মানুষেরা এখনও বইকে জীবনের শ্রেষ্ট বন্ধু মনে করেন তাদের জন্যও থাকছে নতুন ভাবনা। আসানসোলের মত সাহিত্য ও সংসকৃতি যুক্ত করে একটা জায়গা বানাতে চান তিনি। সেখানে বইয়ের পাঠাভ্যাস বাড়ানোর কাজ করা যাবে। সবটা হলে একদিকে যেমন কলেজ স্ট্রিট আবার নতুন করে সেজে উঠবে তেমনি মানুষের মধ্যে বইপ্রীতি বাড়বে ও জ্ঞানের নতুন দিশা খুলে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।













