বাংলা হান্ট ডেস্ক : কম খরচে নিজের ব্যবসা শুরু করার সুযোগ খুঁজছেন, তাহলে এই খবর আপনার জন্যই। প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র (Jan Aushadhi Centre) হতে পারে একটি লাভজনক বিকল্প। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকলে জনঔষধি কেন্দ্র চালুর জন্য আবেদন করা যায়। শুধু ব্যবসার অনুমতিই নয়, দোকানের প্রাথমিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তাও দেয়। পাশাপাশি ওষুধ বিক্রির উপর কমিশন ও অতিরিক্ত প্রণোদনার সুবিধা রয়েছে।
জনঔষধি কেন্দ্র (Jan Aushadhi Centre) কীভাবে খুলবেন?
দেশের প্রায় সর্বত্রই এখন পৌঁছে গিয়েছে জনঔষধি কেন্দ্র। ৭৮৪টি জেলার মধ্যে ৭৭৬টিতেই জনঔষধি কেন্দ্র চালু হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২০,১৪৯টি কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে কম দামে জেনেরিক ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। একই কার্যকর উপাদান থাকা সত্ত্বেও ব্র্যান্ডেড ওষুধের তুলনায় অনেক কম দামে এই ওষুধ পাওয়া যায়। সংসদে কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশবাসীর প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার ওষুধের খরচ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।
জনঔষধি কেন্দ্রে প্রায় ২,০১০ ধরনের ওষুধ, ৩১৫ ধরনের সার্জিক্যাল সামগ্রী এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল ডিভাইস পাওয়া যায়। ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রো, স্নায়ুরোগ-সহ একাধিক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও এখানে মজুত থাকে। এই জনঔষধি কেন্দ্র খুলতে আবেদনকারীকে নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট হতে হবে এবং কমপক্ষে ১২০ বর্গফুট জায়গার ব্যবস্থা থাকতে হবে, যা নিজের অথবা ভাড়ার হতে পারে।
দোকানের আসবাব, কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার জন্য সরকার ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেয়। পাশাপাশি ওষুধ বিক্রির উপর ২০ শতাংশ কমিশন এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে অতিরিক্ত ইনসেনটিভও পাওয়া যায়। সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য আবেদন ফি ৫,০০০ টাকা, যা ফেরতযোগ্য নয়। তবে মহিলা উদ্যোক্তা, দিব্যাঙ্গ এবং SC/ST শ্রেণির আবেদনকারীদের এই ফি দিতে হয় না। আবেদন করতে janaushadhi.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুন : DA বৃদ্ধির মধ্যেই ফের ‘উপহার’, এই সকল কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
স্বল্প বিনিয়োগে ব্যবসা শুরু করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকলে সরকারি সহায়তায় এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আয়ের একটি স্থায়ী উৎস হয়ে উঠতে পারে।













