বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেশের কোটি কোটি কৃষকের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা তথা পিএম কিষাণ যোজনা (PM Kisan Yojana) চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত জুন মাসে এই প্রকল্পের (Government Scheme) ২৩ তম কিস্তি দেওয়া হয়েছে। এবার ২৪ তম কিস্তির পালা। তার আগে পিএম কিষাণের উপভোক্তার তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কিনা একবার চেক করে নিতে পারেন।
পিএম কিষাণের উপভোক্তার তালিকা দেখার পদ্ধতি | (PM Kisan Yojana)
অনেক সময় দেখা যায়, এলাকার বাকি কৃষকদের অ্যাকাউন্ট টাকা ঢুকলেও কারও নাম পিএম কিষাণের উপভোক্তার তালিকা থেকে হঠাৎ বাদ পড়ে গিয়েছে। এতে চিন্তায় পড়ে যান তাঁরা। জানা গিয়েছে, বেশ কিছু কারণে উপভোক্তার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ শিশুদের স্বাস্থ্য সবার আগে! স্বাধীনতা দিবসের প্যারেড নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর
আপনার নাম পিএম কিষাণের তালিকায় রয়েছে কিনা তা সহজে বাড়ি বসেই চেক করে নিতে পারেন। এর জন্য প্রথমে পিএম কিষাণের অফিশিয়াল পোর্টাল খুলতে হবে। এরপর হোম পেজে থাকা ‘বেনিফিশিয়ারি লিস্ট’ লেখায় ক্লিক করতে হবে।
এবার ড্রপ ডাউন মেনু থেকে নিজের রাজ্য, জেলা, ব্লক, গ্রামের নাম সহ সব তথ্য দিয়ে ‘গেট রিপোর্ট’ বিকল্পে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই স্ক্রিনে সব যোগ্য কৃষকদের নাম চলে আসবে। সেখানে নিজের নাম আছে কিনা তা দেখে নেওয়া যাবে।
এছাড়া বাড়ি বসে পিএম কিষাণের আবেদন ও কিস্তির বর্তমান স্ট্যাটাসও চেক করা যায়। এর জন্য পিএম কিষাণের অফিশিয়াল পোর্টালে গিয়ে ‘নো ইওর স্ট্যাটাস’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এই কাজের জন্য পিএম কিষাণের রেজিস্ট্রেশন নম্বর লাগবে। এরপর স্ক্রিনে দেখানো ক্যাপচা কোড ও ওটিপি দিয়ে যাচাই সম্পন্ন করলে যাবতীয় তথ্য দেখা যাবে।
পিএম কিষাণের আবেদন বাতিলের কারণ
জানা গিয়েছে, মূলত চারটি কারণে কৃষকদের আবেদন বাতিল করা হচ্ছে। সেগুলি হল-
১) বার্ষিক ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ না থাকা।
২) আবেদনকারীর জমির রেকর্ড যাচাই না হওয়া।
৩) আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক করানো না থাকা।
৪) ব্যাঙ্ক পাসবই ও আধার কার্ডে ভিন্ন নামের বানান।
আবেদন বাতিল হলে কী করতে হবে?
কোনও কৃষকের আবেদন বাতিল হয়ে গেলে নতুন করে আবেদনের দরকার নেই। এতে ডুপ্লিকেট রেকর্ড তৈরির সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে কী সমস্যা দেখা দিয়েছে সেই ভিত্তিতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ না থাকলে পিএম কিষাণের অফিশিয়াল পোর্টালে গিয়ে অথবা নিকটবর্তী কমন সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে এই কাজ করিয়ে নিতে পারেন। জমির রেকর্ড সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে স্থানীয় ভূমি রাজস্ব আধিকারিক/ পাটওয়াড়ি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক না থাকলে নিজের ব্যাঙ্কে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
এই সব কিছু ঠিক থাকলে পিএম কিষাণের ২৪ তম কিস্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এদিকে এই প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তি কবে আসবে সেই নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। সাধারণত চার মাস অন্তর পিএম কিষাণের টাকা দেয় কেন্দ্র। সেই হিসেবে আগামী অক্টোবর মাসে এই টাকা আসতে পারে বলে আশা করছেন উপভোক্তারা। যদিও এই বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি।













