বাংলা হান্ট ডেস্ক: টিম ইন্ডিয়ার খেলোয়াড়দের মধ্যে বারবার চোটের সমস্যা (Fitness Test) নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে BCCI। এমতাবস্থায়, BCCI এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে। মূলত, খেলোয়াড়ের চোট-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য, বেঙ্গালুরুতে স্থিত সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (Center of Excellence) তথা CoE-র মেডিক্যাল টিম তাদের ফিটনেস প্রোগ্রাম উন্নত করার জন্য কাজ করছে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি রিপোর্ট অনুসারে, সেন্টার অফ এক্সিলেন্স এখন তাদের বেস ফিটনেস প্যারামিটারগুলিকে স্ট্যান্ডার্ডাইজড করার লক্ষ্যে কাজ করছে। খেলোয়াড়দের ফিটনেসের বিষয়টি মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও উন্নত হচ্ছে টিম ইন্ডিয়ার খেলোয়াড়দের ফিটনেস টেস্ট (Fitness Test):
নতুন স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ ফিটনেস পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনলেন: গত বছর সোহম দেশাইয়ের পরিবর্তে টিম ইন্ডিয়ার স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ হিসাবে দায়িত্ব নেওয়া অ্যাড্রিয়ান লেরু দলের ফিটনেস পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, BCCI-এর মেডিক্যাল টিম খেলোয়াড়দের ফিটনেস মূল্যায়নে সমন্বয় করতে পারছিল না। এমন পরিস্থিতিতে, অ্যাড্রিয়ান লেরুর আগমনের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে ইয়ো-ইয়ো টেস্টের পরিবর্তে ব্রঙ্কো টেস্টকেই ফিটনেস টেস্টের প্রধান ভিত্তি করা হবে।

ব্রঙ্কো টেস্টে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে: পূর্বে ব্রঙ্কো টেস্টের কোনও নির্দিষ্ট ন্যূনতম সময়সীমা ছিল না। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইংল্যান্ড সফরে খেলোয়াড়দের চোটের সমস্যার বিষয়টি পরিলক্ষিত করে BCCI-এর মেডিক্যাল টিম এখন ব্রঙ্কো টেস্টের বিভিন্ন ড্রিল সম্পন্ন করার জন্য ৫.১৫ থেকে ৫.২০ মিনিটের একটি ন্যূনতম সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। যার ভিত্তিতে এখন খেলোয়াড়দের সিলেকশন করা হবে। এর আগে, BCCI বেসিক ইয়ো-ইয়ো টেস্টে পাস করার জন্য ১৬.৫ সেকেন্ডের একটি মান নির্ধারণ করেছিল। অন্যদিকে, ২কে টেস্ট, যা ২-কিলোমিটার দৌড় নামেও পরিচিত, এটি সম্পন্ন করার জন্য ৯ থেকে ১০ মিনিটের একটি নির্দিষ্ট সময় রাখা হয়েছিল।
ফিটনেসে ‘জালিয়াতি’ আর সহ্য করা হবে না: জানিয়ে রাখি যে, ভারতীয় খেলোয়াড়রা ব্রঙ্কো টেস্টে অভ্যস্ত নন। তাই, এটি পাস করার জন্য CoE প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য আলাদা প্যারামিটার নির্ধারণ করেছে। BCCI সূত্রকে উদ্ধৃত করে টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে যে, সিনিয়র খেলোয়াড়দের এই পরীক্ষায় পাস করার জন্য খুব সহজ লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল। সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের কর্মীরা টিম ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজন অনুযায়ী হর্ষিত রানা এবং নীতীশ কুমার রেড্ডির মতো খেলোয়াড়দের ফিট ঘোষণা করতেন।
আরও পড়ুন: ৫০ লক্ষ বাড়িতে সোলার সিস্টেম, ১৯ লক্ষ পরিবারের বিদ্যুৎ বিল শূন্য, সরকারের এই প্রকল্পের বিরাট সাফল্য
রিপোর্ট অনুযায়ী, BCCI সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া এই কারণে ফিজিও কমলেশ জৈনকে সতর্ক করেছেন। এমতাবস্থায়, এবার খেলোয়াড়দের ফিটনেস কর্মসূচির বিষয়টি যে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।













