‘হুমকি’ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! রাষ্ট্রপতি-প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপের দাবি মমতার

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee demands action against Suvendu Adhikari's speech
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একেরপর এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। পুরোনো সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে ইতিমধ্যেই বহুবার কটাক্ষ করেছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তবে এবার তাঁর বিরুদ্ধেই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যার জেরে রাজনৈতিক সংঘাতের পারদ বেশ কিছুটা চড়েছে বলা যেতেই পারে।

শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আজ ফেসবুক লাইভে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ভিডিওতেই তিনি বলেন, ‘সরকারি অফিসে বসে তাকে হুমকি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিজের ঘরের বাইরে পা রাখতে দেওয়া হবে না বলেন মুখমন্ত্রী। এটা ভারতীয়ের রাজনৈতিক ইসিহাসে ‘নতুন নিম্নমান’ (New Low)’। অবশ্য এরপর মমতা ভারসাম্য সঙ্কটে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। শেষমেশ রাষ্ট্রপতি ও সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের দাবি করেন।

এদিন মমতা অভিযোগ শেষে জানান, আমি ভারতের প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও জনগণের কাছে জানতে চাই, এটাই কি আমাদের সংবিধানের ভারতবর্ষ? আমাকে গৃহবন্ধী করে ভয় দেখানো? নাকি নতুন কোনো রাজনৈতিক আক্রমণের প্রস্তুতি?

আরও পড়ুনঃ তিনমাস পরেও মিলছে না অন্নপূর্ণা যোজনা! ফেসবুক লাইভ লক্ষীর ভান্ডার ফেরানোর আর্জি মমতার

শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে হুমকি স্পষ্ট এবিষয়ে কোনো সন্দেহই নেই। উনি বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত করব আপনি যাতে বাড়ি থেকেই বেরোতে না পারেন’। উনি হয়তো আমাকে অন্য কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন যারা একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে মাথা নত অভ্যস্ত। সেক্ষেত্রে আমায় বুঝতে উনি চরম ভুল করেছেন।

প্রসঙ্গত, বর্তমান সময়কে বিপদজনক, স্বৈরাচারী ও একনায়কতান্ত্রিক পরিবেশে ভারতের অতীতকে স্মরণ করার কথা জানিয়েছেন মমতা। সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টে তিনি লিখছেন, ইতিহাস আমাদের স্থায়ী শিক্ষা দেয় যে ক্ষমতা বা বলপ্রয়োগ কিছু সময়ের জন্য ভয় দেখতে পারে। এরা রাজনৈতিক বিরোধীদের কণ্ঠস্বর রোধ ও প্রতিবাদকে শাস্তি দিতে চায়। তাঁদের এই মরিয়া হওয়াই বুঝিয়ে দিচ্ছে, উল্টো দিন গোনা শুরু হয়ে গিয়েছে।