বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রত্যেক মাসে নিশ্চিত আয় চান বহু মানুষ। তবে এর জন্য কোথায় বিনিয়োগ করা উচিত তা অনেকেই জানেন না। আপনিও যদি এমন কোনও প্রকল্পের খোঁজে থেকে থাকেন, তাহলে একটা ভালো বিকল্প হতে পারে পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিম (Post Office MIS Scheme) তথা মান্থলি ইনকাম স্কিম (Monthly Income Scheme)। এখানে একবার বিনিয়োগ করলে প্রত্যেক মাসে নিশ্চিত আয় হয়। পাশাপাশি এই প্রকল্পের আরও একাধিক সুবিধা রয়েছে।
পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমের হিসাব | (Post Office MIS Scheme)
নিরাপদ ও ঝুঁকিহীন বিনিয়োগ করতে পছন্দ করেন বহু মানুষ। তাঁদের জন্য একটি ভালো বিকল্প পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিম। এখানে একবারে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। এরপর সেই অর্থের বিনিময়ে প্রত্যেক মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ সুদ পাওয়া যায়। ম্যাচুরিটির পর মূল অর্থও ফেরত পান বিনিয়োগকারী।
আরও পড়ুনঃ কুণালের চিঠির পরেই অ্যাকশন! ঋতব্রতকে নিয়ে রাজ্যকে বিরাট নির্দেশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের
পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমের মেয়াদ পাঁচ বছর। এই প্রকল্পে পাঁচ বছরের লক ইন পিরিয়ড থাকে। তবে দরকারে মেয়াদপূর্তির আগেও টাকা তোলা যায়। তবে সেক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে।
অ্যাকাউন্ট খোলার এক বছরের মধ্যে টাকা তোলা যায় না। এক বছর হওয়ার পর কিন্তু তিন বছরের মধ্যে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হলে জমাকৃত টাকার ২ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়। তিন বছর পর ও পাঁচ বছরের আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হলে ১ শতাংশ টাকা কাটা হয়।
পোস্ট অফিসের এই স্কিমে সিঙ্গেল ও জয়েন্ট দু’ধরণের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ৯ লক্ষ টাকা ও জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা জমা করতে পারেন বিনিয়োগকারী। বর্তমানে মান্থলি ইনকাম স্কিমে বছরে ৭.৪ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হচ্ছে। এখানে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য নূন্যতম ১ হাজার টাকা জমা করতে হয়।

কোনও বিনিয়োগকারী যদি পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা রাখেন, তাহলে প্রত্যেক মাসে নিশ্চিতভাবে ৯ হাজারের বেশি টাকা পাবেন তিনি। ৭.৪ শতাংশ সুদের হারের নিরিখে মাসে মাসে সুদ হিসেবেই তাঁর অ্যাকাউন্টে ৯২৫০ টাকা ঢুকবে।
এমন অনেক মানুষ আছেন যারা বিনিয়োগের মাধ্যমে নিশ্চিত মাসিক আয় চান। সেই ধরণের মানুষরা চাইলে পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমে বিনিয়োগ করতেই পারেন।













