বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের যোগ্য কৃষকদের কাছে কৃষক বন্ধু (Krishak Bandhu) প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর বিজেপি সরকার (Government of West Bengal)। সেই কারণে কৃষি দফতরের দায়িত্ব পাওয়ার পরেই কৃষক বন্ধু ও বাংলা শস্য বিমা প্রকল্পের তালিকা ভালো মতো যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। ইতিমধ্যেই সেই ভেরিফিকেশনের কাজ শুরু হয়েছে।
কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়ে কিছু জরুরি প্রশ্নের উত্তর | (Krishak Bandhu)
কৃষক বন্ধুর উপভোক্তা তালিকা থেকে অযোগ্যদের বাদ দিতে পুরনো উপভোক্তাদের ফের তথ্য যাচাই ও ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে। ফলে এখনও যারা ভেরিফিকেশনের ফর্ম জমা করেননি, তাঁদের সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ফর্ম ও প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ মহিলাদের মতো বিশেষভাবে সক্ষম পুরুষদেরও ফ্রি বাস পরিষেবা দেওয়া হোক! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা
এই আবহে অনেকেরই প্রশ্ন, কতদিনের মধ্যে ফর্ম জমা করতে হবে? সেক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্লক কৃষি আধিকারিকের দফতরে গিয়ে ফর্ম ও প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ডেটাবেসে নথিভুক্ত ফোন নম্বরে এসএমএসের দ্বারাও উপভোক্তাদের জানানো হচ্ছে।
এই কাজের জন্য আবেদনকারীর আধার নম্বর, জমির পরিমাণ, জমি সংক্রান্ত নথি বা পরচার তথ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য ও রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর লাগছে। পাশাপাশি দরকার পড়লে আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রীর আধার নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিতে হতে পারে। তবে আবেদনকারী কৃষকের আধার, জমি, ব্যাঙ্ক ও মোবাইলের তথ্যের মধ্যে মিল থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এছাড়া কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নথিভুক্ত প্রত্যেক কৃষকের একটি কৃষক বন্ধু আইডি বা কেবি আইডি থাকে। ভেরিফিকেশনের সময় এই নম্বরটিও দরকার হতে পারে। কৃষক বন্ধুর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সহজেই এই আইডি বের করে নেওয়া যায়।
এদিকে সম্প্রতি নবান্ন থেকে একটি সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী জানান, কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদনের সময়সীমা আরও ১০ দিন বাড়ানো হচ্ছে। সেই সঙ্গেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়মে বদল আনা হচ্ছে বলেও ঘোষণা করেছেন দুধকুমার মণ্ডল।













