বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সরকার গঠনের এক সপ্তাহের মধ্যেই বাংলার মা-বোনেদের দেওয়া সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার (Government of West Bengal)। গত জুন মাস থেকে শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) জয়যাত্রা। পাঁচ মাস আগে বাংলার কয়েক লক্ষ মা-বোনেদের সংসারের ভার লাঘব করার লক্ষ্য নিয়ে এই প্রকল্পের সফর শুরু হয়েছিল। আজ সেটিই হয়ে উঠেছে রাজ্যের নারীদের আশা, আস্থা ও আত্মমর্যাদার একটি নতুন প্রতীক।
অন্নপূর্ণা যোজনার জয়যাত্রা | (Annapurna Yojana)
শহর থেকে শুরু করে গ্রামবাংলা, বিজেপি সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনাকে দু’হাত ভরে ভালোবাসা দিয়েছেন মহিলারা। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই প্রায় ১.৬ কোটি মহিলার কাছে এই প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বারবার বলেছেন, একজন যোগ্য মহিলাও অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।
আরও পড়ুনঃ আরও চওড়া হচ্ছে বীরভূমের ২টি জাতীয় সড়ক! রাজ্যকে ৫০৯ কোটি দিল কেন্দ্র
এখনও রাজ্য জুড়ে অন্নপূর্ণা যোজনার ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে। সেখানে যারা যোগ্য বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের নাম এই প্রকল্পের তালিকায় যুক্ত হবে। পাশাপাশি শীঘ্রই নতুন আবেদনের সুযোগ করে দেবে রাজ্য। সেখান থেকেও বহু মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারবেন। এছাড়া বিধবা ভাতার প্রাপকরা নিজেদের সুবিধা মতো অন্নপূর্ণা যোজনাও বেছে নিতে পারবে বলে জানিয়েছে রাজ্য।
রাজ্যের বিজেপি সরকারের এই উদ্যোগের মূল চালিকাশক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২০৪৭-এর বিকশিত ভারতের সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন, যেখানে দেশের অগ্রগতির পথে নারীরাই মূল চালিকাশক্তি। সেই স্বপ্নকে সামনে রেখে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ।
নারীর ক্ষমতায়নকে সামনে রেখে সেবা, সহমর্মিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রগতির সংকল্পে গত ১৭ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন থেকে সেবা সংকল্প অভিযান শুরু হয়েছে। ওই একই দিনে রাজ্য জুড়ে পালিত হয়েছে প্রথম অন্নপূর্ণা দিবস। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে বক্তব্য রেখে নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার ফের ব্যক্তি করেছেন।

রাজ্যের বিশ্বাস, একজন নারী যদি সশক্ত হন, তাহলে সশক্ত হয় তাঁর পরিবার। একজন নারী আত্মনির্ভর হলে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে একটি প্রজন্ম। আর যখন রাজ্যের কোটি কোটি নারী আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা ও সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যান, তখন এগিয়ে যায় সমগ্র বাংলা। সেই কারণে অন্নপূর্ণা যোজনা শুধুমাত্র একটি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রকল্প নয়, এটি বাংলার নারীদের আত্মমর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও সশক্তিকরণের প্রতি একটি সুদৃঢ় অঙ্গীকার।
রাজ্য বিশ্বাস করে, নারীরা যত এগিয়ে যাবেন, ততই এগোবে সমগ্র বাংলা। নারীদের শক্তিই আত্মনির্ভর, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী রাজ্যের অন্যতম একটি ভিত্তি। আর তাঁদের সেই শক্তির অন্যতম উৎস হয়ে উঠছে অন্নপূর্ণা যোজনা।













