বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দাবি থাকলেও পুজোর আগে গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেলেনি। রাজ্য সরকারি কর্মীদের পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলা ১৬ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) উঠলেও মামলার বিস্তারিত শুনানি হয়নি। ২৭ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ২৭ অক্টোবর মূল মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।
ডিএ মামলার শুনানি পুজোর পর | Dearness Allowance
এদিকে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা DA নিয়ে তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্ট ইতিমধ্যে দাখিল করেছে রাজ্য সরকার। গ্রান্ট-ইন কর্মীদের বাদ দিয়ে এপর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতে ঠিক কত টাকা খরচ হয়েছে সেই বিষয়ে জানিয়েছে রাজ্য। সরকার জানিয়েছে, ২০০৮-২০১৯ সাল পর্যন্ত সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের ডিএ দিতে রাজ্য সরকারের খরচ হয়েছে ৮,১০৩ কোটি টাকা। যদিও সেই রিপোর্ট নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে সরকারি কর্মীদের।
আগামী শুনানি রয়েছে লক্ষ্মীপুজোর পর। সেই শুনানিতে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা নিজেদের অসন্তোষের বিষয়টি তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। মামলাটি বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও মাননীয় বিচারপতি চন্দ্রশেখরের বেঞ্চে উঠবে। রাজ্য সরকার ডিএ মামলার শুনানির সময় ডিএ দিতে ঠিক কত টাকা খরচ হবে তার একটা হিসেব দিয়েছিল। তার সঙ্গে এই হিসেবের সামঞ্জস্য খুবই কম বলে নিজেদের অভিযোগ তুলতে পারেন সরকারি কর্মীরা।

আরও পড়ুন: ‘মানুষের জীবন আগে’, চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর কলকাতার বড় পুজোগুলিকে কী নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর?
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনারদের বকেয়া দেওয়ার কাজ শুরু হলেও পুরোপুরি বঞ্চিত পোষিতরা। রিপোর্টেও তাঁদের উল্লেখ নেই। আগামী শুনানিতে গ্রান্ট ইন এইড-দের বঞ্চনার কথা তুলে ধরা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। গ্রান্ট ইন এইড প্রতিষ্ঠানগুলির কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা বকেয়া ডিএ-র পাশাপাশি সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ নিয়ে কিছু অভিযোগ আছে। পুজোর পর আগামী ২৭ অক্টোবর মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে এই দুই বিষয় নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন সরকারি কর্মীরা।














