বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আজ বিজয়া দশমী (Dassera), বাঙালির শ্রেষ্ট উৎসবের শেষ বেলায় শত্রুপক্ষকে পরাজিত করার ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ভাবছেন কিভাবে? তাহলে জেনে রাখুন, বুধবারই দিল্লির রামলীলা ময়দানে দশেরার বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোদী। সেখান থেকেই সমাজের বিদেব সৃষ্টি করা ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে যারা ক্ষুন্ন করার চেষ্টায় মগ্ন তাদের বিরুদ্ধে একজোট হওয়ার বার্তা দিলেন তিনি।
বিজয় দশমীতে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে একজোট হওয়ার আহ্বান নরেন্দ্র মোদীর!
আসলে বিজয়া দশমী যে শুধুমাত্র বাঙালিদের অনুষ্ঠান তা কিন্তু নয়। দশেরা হিসাবে গোটা দেশেই উৎসবের মত পালিত হয় আজকের দিনটি। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়ের জন্য এই দিনটি উদযাপিত হয়। তাই দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে বার্তা দিলেন তিনি।
এদিন নরেন্দ্র মোদী বলেন, যে শক্তি দেশের সন্মান নষ্ট করে, ভারতীয় সংস্কৃতিকে ঘৃণা করে ও সমাজে মানুষের মধ্যেই বিভাজন সৃষ্টি করে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তাই বিজয়া দশমীর দিনে নতুন করে সংকল্প নিতে হবে সকলকে। একইসাথে শত্রুদের পরাস্ত করার জন্য সকলকে একজোট হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
আরও পড়ুনঃ ‘কোনো সুস্থ বিজেপি কর্মী একাজ করতে পারে না!’ বামেদের বুকস্টল ভাঙা প্রসঙ্গে শমীক
মোদীজি জানান, রামলীলাকে কেন্দ্র করে গোটা দেশ এখন উৎসবে মেতে রয়েছে। প্রভু রামের আদর্শেই আগামী দিনের পথ প্রদর্শিত হবে। শ্রীরাম যেমন সংকটের মোকাবিলা করে ধর্মের পথে থেকে সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছিলেন। সেই জন্যই তিনি ভারতের প্রাণশক্তির সাথে এতটা একাত্ব হয়ে জড়িয়ে রয়েছেন।
স্বনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
রামলীলা ময়দান থেকে স্বনির্ভর ভারত তৈরির লক্ষ্যে মোদী বলেন, দেশকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে গেলে আত্মনির্ভর হতে হবে। নিজেদের যে সম্পদ রয়েছে সেগুলো থেকেই দেশের প্রয়োজন মেটাতে হবে। এক্ষেত্রে রামের প্রসঙ্গ এনে তিনি জানান, নিজ সম্পদ ব্যবহার করে কিভাবে যে কোনো সমস্যার সমাধান করতে হয় সেটার শিক্ষা রামের আদর্শ থেকেও শিক্ষণীয়।
প্রসঙ্গত, উৎসবের মরশুমের মাঝেই দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভ চলছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের পদত্যাগের দাবিতেই একেরপর এক বিক্ষোভ প্রদর্শন হচ্ছে। রাজধানীতে এই বিক্ষোভে শামিল হয়েছে মমতা তৃণমূল থেকে শুরু করে কংগ্রেস ও আপের মত বিরোধীরাও। একদিকে যখন রাজধানীতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনীতি, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।














