বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। এই প্রসঙ্গে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনকে রতন টাটা এনডাউমেন্ট ফাউন্ডেশনের (RTEF) চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে। জানিয়ে রাখি যে, RTEF একটি সেকশন ৮ কোম্পানি। যেটি প্রয়াত রতন টাটা (Ratan Tata) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই ফাউন্ডেশনে তিনি তাঁর বেশিরভাগ সম্পদ সামাজিক কাজে ব্যবহারের জন্য দান করেছিলেন।
পূরণ হল রতন টাটার (Ratan Tata) ইচ্ছে:
সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রতন টাটার (Ratan Tata) ইচ্ছে ছিল চন্দ্রশেখরন যেন এর চেয়ারম্যান হন। সূত্রের খবর, রতন টাটার একজিকিউটাররা বহিরাগত আইন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে চন্দ্রশেখরনকে নিয়োগ করেন। টাটা সন্সের চেয়ারম্যানকে টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হতে বাধা দেওয়ার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। কারণ এই ফাউন্ডেশনটি ট্রাস্টের সাথে যুক্ত নয়। এদিকে, জানা গিয়েছে যে, টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা এই ফাউন্ডেশনের অংশ হবেন না।
দারিয়াস খাম্বাটা, মেহলি মিস্ত্রি এবং শিরিন এবং ডায়ানা জেজীভয় প্রয়াত রতন টাটার (Ratan Tata) উইলের একজিকিউটার। রতন টাটা চেয়েছিলেন চন্দ্রশেখরন এই ফাউন্ডেশনের নেতৃত্ব দেবেন। এমতাবস্থায়, চন্দ্রশেখরন শীঘ্রই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেবেন। যেদল এটি পরিচালনা করবে সেটিকে তিনি চূড়ান্ত করবেন।
আরও পড়ুন: চিন-আমেরিকার লড়াইয়ে শুরু নতুন আতঙ্ক! বড়সড় ক্ষতির সম্ভাবনা ভারতের
মার্চের শেষে প্রভেটের জন্য উইল জমা দেওয়ার পরে এবং বোম্বে হাইকোর্ট দ্বারা প্রত্যয়িত হওয়ার পরেই রতন টাটার (Ratan Tata) সম্পত্তির বণ্টন ঘটতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি ছয় মাস পর্যন্ত সময় নিতে পারে। আদালত কর্তৃক উইলটি অনুমোদিত হয়ে গেলে, ফাউন্ডেশন টাটা সন্স এবং গ্রুপ কোম্পানিতে রতন টাটার শেয়ারের পাশাপাশি টাটা টেকনোলজিস এবং টাটা ডিজিটালের হোল্ডিং থেকে ফান্ডিং পাবে।
আরও পড়ুন: হয়ে গেল কনফার্ম! এই তারকা প্লেয়ারকেই অধিনায়ক করতে চলেছে KKR
রতন টাটার মোট সম্পদ: এদিকে, চন্দ্রশেখরন রতন টাটার (Ratan Tata) মোট সম্পদের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। রতন টাটা আরআর শাস্ত্রী এবং বুর্জিস তারাপোরেওয়ালাকে RTEF-এর হোল্ডিং ট্রাস্টি এবং জামশেদ পোঞ্চাকে CEO হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন এই ফাউন্ডেশন টাটা ট্রাস্ট থেকে স্বাধীন থাকুক। কিন্তু RTEF বোর্ডে ট্রাস্টি নিয়োগের বিষয়ে কোনও স্পষ্ট লিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বার্জন ল-এর সিনিয়র পার্টনার কেতন মুখিজা এই প্রসঙ্গে বলেছেন চন্দ্রশেখরনের নিয়োগ একটি কৌশলগত প্রশাসনিক পদক্ষেপ। এটি টাটা ট্রাস্ট থেকে ফাউন্ডেশনের স্বাধীনতাকেই নিশ্চিত করে।