দিতে হবে গার্লফ্রেন্ড! ২,০০০ কিমি পথ পেরিয়ে ভগবান বুদ্ধের মূর্তির কাছে এসে “অদ্ভুত” আবদার করলেন ব্যক্তি

বাংলা হান্ট ডেস্ক: যাঁরা “সিঙ্গেল” রয়েছেন তাঁদের কষ্ট কেবল তাঁরাই বোঝেন। আর সেই কারণেই প্রেমের সন্ধান করতে থাকেন তাঁরা। তবে, বর্তমান প্রতিবেদনে আজ আমরা আপনাদের এমন একটি ঘটনার প্রসঙ্গ উপস্থাপিত করব যেটি জানার পর অবাক হয়ে যাবেন আপনি। সম্প্রতি এক ব্যক্তি “গার্লফ্রেন্ড” (Girlfriend)-এর আশায় প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এক মন্দিরে পৌঁছে যান। সেখানেই ঈশ্বরের সামনে নিজের মনের কথা জানান তিনি।

শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও তুমুল ভাইরাল (Viral) হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media)। এদিকে, ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে, তিনি ভগবান বুদ্ধের একটি বড় মূর্তির সামনে এয়ারপডের মতো স্পিকার ধরে প্রার্থনা করছেন। গার্লফ্রেন্ড ছাড়াও কোটিপতি হওয়ার ইচ্ছে এবং গাড়ি-বাড়ির জন্যও প্রার্থনা করেন তিনি।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের মতে, এই ভিডিওটি চিনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Douyin-এ ঝাং নামের এক ব্যক্তি শেয়ার করেছেন। তিনি চিনের ঝেজিয়াং প্রদেশ থেকে ২,০০০ কিলোমিটার দূরত্ব সফরের পর সিচুয়ান প্রদেশের একটি বৌদ্ধ মন্দির Leshan Giant Buddha-তে এসেছিলেন। সেখানে ভগবান বুদ্ধের একটি বিশাল মূর্তি রয়েছে। এটি কয়েকশো বছর আগে তাং রাজবংশ দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।

ওই ব্যক্তি ভগবান বুদ্ধের ৭১ মিটার দীর্ঘ মূর্তির সামনে প্রার্থনা করেছিলেন। তিনি মূর্তির কানের কাছে একটি বড় আকারের এয়ারপডের মতো স্পিকার রেখে সেই মারফত তাঁর বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছিলেন। তিনি বলেন যে, এর ফলে ঈশ্বর তাঁর কথা খুব ভালোভাবে শুনতে সক্ষম হবেন।

ঈশ্বরকে কি জানান তিনি: ঝাং নামের এই ব্যক্তি বুদ্ধ মূর্তির সামনে উচ্চস্বরে বলতে থাকেন, “ভগবান, আমার বয়স ২৭ বছর এবং আমার কোনো গাড়ি বা বান্ধবী নেই। আমি প্রথমে ধনী হতে চাই। আমি শুধু ১০ মিলিয়ন ইউয়ান (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১২ কোটি টাকা) চাই। আমি এমন একজন গার্লফ্রেন্ড চাই, যে সুন্দরী হবে এবং আমাকে ভালোবাসবে।”

26

ওই ব্যক্তি আরও জানান যে বক্রি বুধের কারণে ভাগ্য তাঁর সহায় নেই। আর ওই এই খুঁত থেকে মুক্তি পেতেই তিনি মন্দিরে আসেন। এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, বক্রি বুধ হল একটি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় ঘটনা। এমতাবস্থায়, ঝাংয়ের এহেন কাণ্ডে চিনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এখন তুমুল প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

Sayak Panda
Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর