জনতার অভিযোগের মুখোমুখি অভিষেক, শেষ প্রশ্নে বদলে গেল সভার মেজাজ, কী লেখা ছিল চিরকুটে?

Published on:

Published on:

Abhishek handles public relations for Alipurduar
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে জনসংযোগ জোরদার করতে একের পর এক সভা করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এর আগেও বারুইপুরে এমন সভা করেছিলেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতাতেই গতকাল আলিপুরদুয়ারে একটি জনসভা করেন অভিষেক। মূলত মানুষের সরাসরি অভিযোগ শোনা, স্থানীয় সমস্যার কথা জানা এবং তা দ্রুত সমাধানের উদ্দেশ্যেই এই সভাগুলি করছেন তিনি।

আলিপুরদুয়ারে জনসংযোগ সারলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)

এদিনের সভায় স্টেজের এক পাশে রাখা ছিল একটি কাচের জার। তার ভেতরে ছিল এলাকার মানুষের লেখা একের পর এক চিরকুট। সেই চিরকুটেই উঠে এল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা। অভিনব এই পদ্ধতিতে জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

কী ধরনের অভিযোগ ছিল মানুষের?

কেউ লিখেছেন, স্বামী দুবাইতে কাজ করেন, তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাবে কি না এই চিন্তা তাঁকে কুরে কুরে খাচ্ছে। আবার কারও অভিযোগ, এলাকায় ডাক্তার নেই, ওষুধ বলতে শুধু প্যারাসিটামলই দেওয়া হয়। বাস পরিষেবা, অ্যাম্বুল্যান্সের অভাব, ঘর সংক্রান্ত সমস্যার কথাও উঠে আসে একের পর এক চিরকুটে। সব প্রশ্ন মন দিয়ে শোনেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। যেগুলোর উত্তর দেওয়া সম্ভব, সেগুলোর সমাধানের কথাও তিনি মঞ্চ থেকেই জানান। তবে সময়ের অভাবে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়নি। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়, বাকি প্রশ্নগুলোর উত্তর পরে দেওয়া হবে।

সভা শেষের পথে উপস্থাপক যখন ইতি টানছেন, ঠিক সেই সময় হঠাৎ কাচের জারের দিকে চোখ পড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। একটি চিরকুট তুলে নিয়ে তিনি পড়েন সেখানে লেখা একটি প্রশ্ন-‘আমি বিয়ের টাকা পাইনি।’ প্রশ্নটি পড়ে মুচকি হেসে ফেলেন অভিষেক। চিরকুটে লেখা নামটিও তিনি পড়ে শোনান মিক নাগাসিয়া। এরপর মঞ্চ থেকে তিনি প্রশ্ন করেন, “মিক নাগাসিয়া কোথায়?” দর্শকাসন থেকে উঠে দাঁড়ান এক তরুণী।

Abhishek Banerjee Meets Tea Garden Workers in Alipurduar

আরও পড়ুনঃ চলন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে দুঃসাহসিক ছিনতাই, AC কামরাতেও নিরাপত্তাহীন যাত্রায় খোভ যাত্রীদের

অভিষেক (Abhishek Banerjee) জানতে চান, “বিয়ের টাকা পাননি? আবেদন করেছিলেন? কোথায় আবেদন করেছিলেন?” উত্তরে ওই তরুণী জানান, তিনি ডিএম অফিসে আবেদন করেছিলেন। বিষয়টি শোনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আবেদনপত্রটা আমাকে একবার পাঠাবেন। আমি নিশ্চিত করব, যাতে টাকাটা আপনি পান।” শেষে তিনি ওই তরুণীকে বিয়ের শুভেচ্ছাও জানান।