বাংলাহান্ট ডেস্ক : এ যেন ভূমিকম্পের (Earthquake) বছর। ২০২৫ এর শুরু থেকেই একটার পর একটা অঘটন লেগেই রয়েছে। তার উপরে বিগত কিছুদিন ধরে একাধিক দেশে ভূমিকম্পের খবরে কার্যত ঘুম উড়েছে মানুষের। মায়ানমার, থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পের (Earthquake) আতঙ্ক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি বিশ্ব, এর মাঝেই ফের কাঁপল আরেক জায়গার মাটি। শনিবার ভোরে ভূমিকম্প হল দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত পাপুয়া নিউ গিনির একটি দ্বীপে। সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এলাকায়।
আবারো ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল মাটি
রিপোর্ট অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৬ টা বেজে ৪ মিনিটে প্রথম বার কম্পন (Earthquake) অনুভূত হয় পাপুয়া নিউ গিনির নিউ ব্রিটেন দ্বীপে। যেমনটা জানা যাচ্ছে, দ্বীপের উপকূলের প্রায় ১০ কিমি গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের রিপোর্ট বলছে, রিখটার স্কেলে প্রথম কম্পনের (Earthquake) মাত্রা ছিল ৬.৯। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই আসে আফটারশক। তাও ছিল রীতিমতো জোরালো।
জারি হল সুনামি সতর্কতা: প্রথমে ৬.৯ এবং তারপর ৫.৩ মাত্রার তীব্র আফটারশকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেড়ে যায় সমুদ্রে ঢেউয়ের উচ্চতা। জিওলজিক্যাল সার্ভের তরফে জানানো হয়েছে, দুটি ভূমিকম্পের (Earthquake) মধ্যে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩০ মিনিট। ওই ভূমিকম্পের পরেই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্প (Earthquake) কবলিত নিউ ব্রিটেন দ্বীপে সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা হতে পারে ৩-৯ ফুট পর্যন্ত।
আরো পড়ুন : মর্মান্তিক! হাওড়ায় থার্মোকলের কারখানায় বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে মৃত্যু পাশের কারখানার শ্রমিকের
ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে: পাপুয়া নিউ গিনির অন্য কিছু দ্বীপেও সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশের সলোমন দ্বীপপুঞ্জেও প্রভাব পড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। অবশ্য দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউ গিনির অধিকাংশ দ্বীপই ভূমিকম্পপ্রবণ (Earthquake)। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ভূমিকম্প বলয়ের অন্তর্গত হওয়ায় এখানেই প্রায়শই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। তবে এখনো পর্যন্ত এই জোড়া ভূমিকম্পে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।
আরো পড়ুন : মোদীর “কড়া বার্তা”-র পরেই হল কাজ! বাংলাদেশের উপদেষ্টার মুখে সম্প্রীতির বার্তা, হিন্দুদের যা বললেন…
গত সপ্তাহেই ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপেছে মায়ানমার। প্রভাব পড়েছে পার্শবর্তী থাইল্যান্ডেও। প্রথম দিন রিপোর্ট এসেছিল, ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে মায়ানমারের ভূমিকম্পে। তারপর থেকে পাঁচ দিন পরে সরকারি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে ওই বিপর্যয়ে। প্রায় সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।