টাইমলাইনভারত

আজম খানের ইউনিভার্সিটির পর তার স্কুলে বুলডজার চালানোর সিদ্ধান্ত যোগী প্রশাসনের

বাংলাহান্ট ডেস্ক : ফের বিপাকে পড়েছেন উত্তর প্রদেশের (uttarpradesh)প্রাক্তন মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রী এবং রামপুরের সংসদ সদস্য আজম খান(Ajam Khan)। উত্তরপ্রদেশ সরকারের জন্য আরও এক বার সমস্যায় পড়েন জেলপ্রাপ্ত আজম খান। ২০১৬ সালে সমাজবাদী পার্টির আমলে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদমন্ত্রী আজম খান জাল নথির ভিত্তিতে জোহর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রামপুর বিদ্যালয়ের ভবনগুলি নির্মাণ করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এমপি আজম খান, তাঁর স্ত্রী বিধায়ক ড: তাজিন ফাতেমা ও তার ছেলে আবদুল্লাহ গত তিন মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। তিনজনকেই সীতাপুর কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনটি গুরুতর অভিযোগের কারণে তারা জেলবন্দী ।

উত্তর প্রদেশের সুন্নি ওয়াক্ফ বোর্ড জোহর ট্রাস্টকে এই পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে

ইয়তিমাখনের জমি দখল করে গড়ে তোলা স্কুল
আজম খান রামপুর পাবলিক স্কুলকে গৃহহীন করেছেন এবং ওয়াক্ফ ১৫৭-এ স্কুল নামে একটি ভবন তৈরি করেছিলেন। এই রামপুর পাবলিক স্কুল ইয়তিমখানার জমি থেকে ২৬ জনকে গৃহহীন করার পরে ট্রাস্ট দ্বারা নির্মাণ করা হয়েছিল । উত্তর প্রদেশের সুন্নি ওয়াক্ফ বোর্ড জোহর ট্রাস্টকে এই পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। জোহর ট্রাস্ট ওয়াক্ফ নং ১৫৭ এর মুতাওয়াল্লি হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিল।

৭০টিরও বেশি মামলা দায়ের হয়েছে আজম খানের বিরুদ্ধে

উত্তরপ্রদেশ সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড জারি করা আদেশে বলা হয়েছে যে ওয়াকফের এই সম্পত্তিটি আজহার খানের জোহর ট্রাস্টের দখলে ছিল। ট্রাস্টের অধিকারগুলি শেষ হয়েছে। বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা জুনায়েদ খান বোর্ডকে স্থায়ী মুতাওয়াল্লি হিসাবে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত ওয়াকফের সম্পদ পরিচালনা করবেন।ইয়াতিমখানা মামলা, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও শত্রু সম্পত্তির মামলা সহ ৭০টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে আজম খানের বিরুদ্ধে।

Back to top button
Close