টাইমলাইনখেলাক্রিকেট

ঘনাচ্ছে অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসের মৃত্যু নিয়ে রহস্য, চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রয়াত ক্রিকেটার বোন

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: দুঃখজনক ভাবে শনিবার রাতে মারা গিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকা অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস। জানা গিয়েছে যে কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিলে ৪৬ বছর বয়সী তারকা গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল গোটা বিশ্বের ক্রিকেট ভক্তদের মনে। এমনকি যে ভারতের সাথে খেলতে গিয়ে এতবার এতরকম বিতর্কে জড়িয়েছেন সেই ভারতীয়রা পর্যন্ত তার মৃত্যুতে শোকাতুর হয়েছিলেন। কিন্তু এবার প্রাক্তন ক্রিকেটারের মৃত্যু নিয়ে নতুন জল্পনা উস্কে দিলেন ক্রিকেটারেরই বোন।

অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসের হওয়া ১৪ তারিখের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিয়ে নয়া তত্ত্ব সামনে আনলেন তার বোন। তার বয়ান থেকে মারা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগের ঘটনা নিয়ে রহস্য বেশ কিছুটা গভীর হয়। তার বোন একটি সাক্ষাৎকারে জানান যে দুর্ঘটনার রাতে যে সাইমন্ডস ওই নির্জন রাস্তা দিয়ে যাত্রা করছিলেন সেই সম্পর্কে তার পরিবারের কোনও ধারণাই ছিল না। কারণ তিনি স্ত্রী লরা ও দুই সন্তানকি রেখে গেছেন।

তার বোন লুইস সাইমন্ডসের আবেগপূর্ণ ভঙ্গিতে জানিয়েছেন যে তিনি তার ভাইয়ের সাথে আরও একটি দিন কাটাতে চান। তিনি বলেছেন “দুর্ঘটনাটি খুবই ভয়াবহ ছিল। আমরা এখনও তার জের কাটিয়ে উঠতে পারিনি। জানি না ও ওই রাস্তায় কি করছিল।” সাইমন্ডসের দুটি কুকুরও তার সঙ্গে ছিল কিন্ত তারা ওই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটু দুর্ঘটনা হয়েছে তা কয়েক মিনিটের মধ্যেই ওই ঘটনাস্থলে পৌঁছান দুই স্থানীয় বাসিন্দা বাবেথা নেলিমান এবং ওয়েলন টাউনসন। তারাই প্রথম প্রাক্তন ক্রিকেটারকে গাড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।

 

দুজনেই সাইমন্ডসের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু একটি কুকুর ওই ব্যক্তিদের তার কাছে যেতে দেয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে দুর্ঘটনাস্থলের প্রতক্ষদর্শী নেলিমান বলেন, “একটি কুকুর তার প্রভুকে নিয়ে খুবই সংবেদনশীল ছিল এবং আমাদের সাইমন্ডসের দেহের কাছে যেতে চায়নি। যখনই আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য এগোনোর চেষ্টা করছিলাম, তারা কেবলই আমাদের দিকে হিংস্র ভাবে তাকিয়ে গর্জন করতে থাকে। আমার সঙ্গী সাইমন্ডসকে গাড়ি থেকে নামানোর চেষ্টা করেছিল যাতে সে ঠিকমতো বসতে পারে। গাড়িটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।” স্বাভাবিকভাবেই এখন প্রশ্ন উঠছে যে তবে কি সাইমন্ডসকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া গেছে তিনি বেঁচে ফিরতে পারতেন। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর জানা আর সম্ভব নয়।

Related Articles

Back to top button