সোনার দাম বাড়তেই ঋণেও সোনালি ঝলক! ১২৫ শতাংশ বৃদ্ধি গোল্ড লোনে

Published on:

Published on:

As gold prices rise, gold loan see a 125 percent increase.
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: সোনার দামে (Gold Loan) চলমান ঊর্ধ্বগতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের ঋণ বাজারে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত ব্যাঙ্কিং খাত থেকে নেওয়া সোনার লোনর পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনার বর্ধিত বাজার মূল্যের কারণে বন্ধকের মূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, ফলে একই পরিমাণ সোনা বন্ধক রেখে গ্রাহকরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ঋণ নিতে পারছেন। এই কারণেই গত এক বছরে গোল্ড লোনের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

সোনার দাম বাড়তেই ১২৫ শতাংশ বৃদ্ধি গোল্ড লোনে (Gold Loan):

আরবিআইয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোনার বিপরীতে বকেয়া ঋণের অঙ্ক গত কয়েক বছরে নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে সোনার ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৯,৮৯৮ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের নভেম্বরে বেড়ে ১.৫৯ লক্ষ কোটি টাকা এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রায় ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত ছয় মাসে এই ঋণের বার্ষিক বৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সোনার দাম প্রায় ৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৪ ক্যারেটের ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১.৩৫ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: মাত্র ১৯ বছর বয়সেই চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট! বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠা CA হয়ে নজির গড়লেন ভারতের নন্দিনী আগরওয়াল

এই ঋণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এনবিএফসি বা নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্স কোম্পানিগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিপোর্ট অনুযায়ী, এনবিএফসিগুলির স্বর্ণ ঋণের পোর্টফোলিও প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তবে আরবিআইয়ের ‘ট্রেন্ডস অ্যান্ড প্রোগ্রেস’ রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে বাজারের অংশীদারিত্বের দিক থেকে ব্যাঙ্কগুলি এনবিএফসিকে ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে মোট গোল্ড লোনের ৫০.৩৫ শতাংশ ব্যাঙ্কের নিয়ন্ত্রণে, বাকি অংশ আর্থিক সংস্থাগুলির হাতে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মুথুট ফাইন্যান্স, মনাপ্পুরম ও আইআইএফএল ফাইন্যান্স বড় ঋণদাতা সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।

গোল্ড লোনের পাশাপাশি যানবাহনে লোনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে। নভেম্বরের শেষ নাগাদ যানবাহন ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৮ লক্ষ কোটি টাকা, যা বছরে ১১ শতাংশ বৃদ্ধির নির্দেশ করে। জিএসটি হ্রাস এবং উৎসবের মরশুমে বিভিন্ন ছাড়ের প্রভাবে যাত্রী ও বাণিজ্যিক গাড়ির চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এই ঋণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তবে উৎসব মরশুম শেষ হওয়ার পর ব্যক্ত%LS