বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ফের আন্দোলনের পথে হাঁটলেন রাজ্যের আশা কর্মীরা (Asha Workers Protest)। বুধবার সল্টলেকের স্বাস্থ্য ভবনের সামনে জমা হয় প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ আশা কর্মী। দাবি একটাই ‘বেতন বৃদ্ধি’। শুরুতেই মিছিল আটকাতে গেলে পুলিশের সাথে আশা কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপর পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে স্বাস্থ্যভবনের গেট পর্যন্ত পৌঁছে যান আশাকর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।
শান্তিপূর্ণ আন্দোলন (Asha Workers Protest) মোর নেয় ধস্তাধস্তিতে
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল থেকেই সল্টলেকের স্বাস্থ্যভবন চত্বরে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়। স্বাস্থ্যভবন-সহ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয় ব্যারিকেড দিয়ে এবং নামানো হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। আশাকর্মীদের মিছিল (Asha Workers Protest) স্বাস্থ্যভবনের দিকে কিছুটা এগোতেই তা আটকে দেয় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আশাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে শুরু করেন।
এই সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতেও জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা (Asha Workers Protest)। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে তাঁরা পৌঁছে যান স্বাস্থ্যভবনের মূল গেটের সামনে। মুহূর্তে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ আধিকারিকদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্য দপ্তরের গেট বন্ধ রাখা হয়। স্বাস্থ্যভবনের সামনে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়।
কী দাবি আন্দোলনকারীদের?
আশাকর্মীদের (Asha Workers Protest) মূল দাবি, তাঁদের ন্যূনতম বেতন ১৫ হাজার টাকা করতে হবে। এই দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছেন তাঁরা। যদিও ইতিমধ্যেই কয়েক দফায় তাঁদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে, তবুও আশাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ কাটেনি। রাজ্যজুড়ে প্রায় তিন হাজার আশাকর্মী এই দাবিতে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন।

বুধবার ন্যূনতম বেতন ১৫ হাজার টাকা করা-সহ একাধিক দাবিতে স্বাস্থ্যভবন ঘেরাও এবং ডেপুটেশন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। সেই কর্মসূচি ঘিরেই এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বর্তমানে স্বাস্থ্যভবনের গেটের বাইরেই অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েছেন আশাকর্মীরা। তাঁদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, দাবি মানা না হলে তাঁরা সেখানেই অবস্থান চালিয়ে যাবেন (Asha Workers Protest)।












