এবার কি গ্রেফতরির পালা? রুজিরার বিরুদ্ধে বড় অ্যাকশন ED-র, বাজেয়াপ্ত হল …

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বাংলার বুকে দুর্নীতি নিয়ে ফের বড় পদক্ষেপ ইডির (Enforcement Directorate)। দু’‌দিন আগেই লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিসে হানা দেন ইডির অফিসাররা। নিউ আলিপুরের লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিসে তল্লাশি চালান। আর রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rujira Narula Banerjee) দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট বাজেয়াপ্ত করেন।

   

কী বলছে ED-র সিজার লিস্ট? ইডির সিজার লিস্ট অনুযায়ী, ওই অফিসের তিনটি ডেস্কটপের নথি খতিয়ে দেখে দু’টি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অনেক নথির মধ্যে রয়েছে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের মধ্য কলকাতা শাখায় রুজিরা নারুলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট। ১৪২ পাতার স্টেটমেন্ট বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা।

ইডি,Enforcement Directorate,Bangla,Bangla News,Bangla Khabor,Bengali,Bengali News,Bengali Khabor,রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়,Rujira Narula Banerjee,West Bengal

বাজেয়াপ্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি : এদিকে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর থেকে উদ্ধার হওয়া নথির ভিত্তিতে ২১ অগস্ট ১৮ ঘণ্টা নিউ আলিপুরের লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। সিজার লিস্ট অনুযায়ী, ওই সংস্থার ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত হিসাবের নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস তৈরির আগে এই সংস্থার নাম ছিল অনিমেষ ট্রেড লিঙ্ক। এই সংস্থা কিনে নেওয়ার পর নাম বদলে হয় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস। ওই কেনা–বেচা সংক্রান্ত নথিও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

CEO পদে ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ : অন্যদিকে এখান থেকেই মিলেছে, আলিপুর এবং বিষ্ণুপুরে থাকা বেশ কিছু জমির দলিল। এই সংস্থার এখনকার এক ডিরেক্টরকে প্রাক্তন এক ডিরেক্টরকে অনেকটা স্থাবর সম্পত্তি দান করছেন। সেই নথিও হাতে এসেছে ইডির। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি এবং স্টেটমেন্টও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র সংস্থার জন্ম থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডিরেক্টর পদে ছিলেন। সিওও পদেও ছিলেন। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার দফতরকে সামনে রেখে নিজের ব্যবসা সামলাতেন সুজয় কৃষ্ণ। সুজয়ের সংস্থা এসডি কনসালটেন্সিরও নথি মিলেছে। দুই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই তল্লাশি চালানো হয়েছে।

ডাউনলোড করা হয় ১৬টি ফাইল : ইতিমধ্যেই ইডি অফিসারদের নামে কলকাতা পুলিসের সাইবার থানায় অভিযোগ জানান সংস্থার কর্মী চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ইডি অফিসারদের নিয়ন্ত্রণে দফতরের যে কম্পিউটার গুলি ছিল সেখান থেকে ১৬টি ফাইল ডাউনলোড করা হয়। সেগুলি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সঙ্গে জড়িত নয়। কলকাতা পুলিস অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। বাজেয়াপ্ত দুটি হার্ড ডিস্ক ও মোবাইল থেকে তথ্য উদ্ধার করতে সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। এবার ইডি তলব করেছে চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

সম্পর্কিত খবর