বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোট এখনও হয়নি, কিন্তু তার আগেই বড় জয় পেয়ে গেল বিজেপির (BJP) নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট। মহারাষ্ট্র পুরসভা নির্বাচন আসতে এখনও কিছুটা সময় বাকি, তবে মনোনয়ন পর্ব শেষ হতেই একাধিক আসনে ফল কার্যত স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
ভোটের আগেই বড় সাফল্য মহাযুতির
মহারাষ্ট্র পুরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ জানুয়ারি। কিন্তু তার আগেই বিজেপি (BJP)-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট ৬৮টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে। শুক্রবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষদিন। শেষ মুহূর্তে বহু বিরোধী প্রার্থী মনোনয়ন তুলে নেওয়ায় এই আসনগুলিতে আর ভোটের প্রয়োজন পড়েনি।
বিজেপির (BJP) ঝুলিতে সবচেয়ে বেশি আসন
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতা ৬৮টি আসনের মধ্যে ৪৪টি আসন পেয়েছে বিজেপি (BJP)। এই জয় এসেছে থানে’র কল্যাণ-ডোম্বিভালি, পুণে, পিম্পরি-চিঞ্চওয়াদ, পানভেল, ধুলে, জলগাঁও, ভিওয়ান্ডি ও অহল্যানগর এলাকা থেকে। এছাড়া অজিত পওয়ারের এনসিপি (NCP) দুটি আসনে জয়ী হতে চলেছে। এই ফলাফলে উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা মুরলীধর মহল। পুণে থেকেই পরবর্তী মেয়র হবেন এমন আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ১২৫টি আসন। এর মধ্যে দুটি আসনে আমরা ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছি। বাকি রয়েছে ১২৩টি আসন।”
ফড়ণবীস ও রাজ্য সভাপতির কৌশলেই সাফল্য?
বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের একাংশের দাবি, এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের জনপ্রিয়তা এবং রাজ্য সভাপতি রবীন্দ্র চভনের নির্বাচনী পরিকল্পনার। তাঁদের নেতৃত্বেই মহারাষ্ট্রে বিজেপির সংগঠন আরও শক্ত হয়েছে বলে দাবি দলের।

আরও পড়ুনঃ SIR-এর কাজে LIC আধিকারিক কেন? নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা
এদিকে, এই জয় ঘিরে কড়া অভিযোগ তুলেছে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা। তাদের দাবি, ইডি ও সিবিআইয়ের ভয় দেখানো, হুমকি কিংবা ঘুষের মাধ্যমে বিরোধীদের মনোনয়ন তুলতে বাধ্য করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শেষ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ বিরোধীদের। নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে নীরব ভূমিকা নিচ্ছে এমন অভিযোগও তুলেছে তারা। মহারাষ্ট্র পুরসভা নির্বাচনের আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির (BJP) জয়ের এই ঘটনা রাজ্যের রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়াল।












