বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা ভোটের আগে আর বছরখানেক বাকি। তার আগে নিজেদের সংগঠন আরও মজবুত করতে চাইছে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল। তবে সেই আবহেই একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছে বিজেপি (BJP)। সম্প্রতি গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে নাম লিখিয়েছেন হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ‘বেসুরো’ আরেক পদ্ম বিধায়ক। কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বিজেপির সব সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ‘অব্যাহতি’ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই আবহে বড় মন্তব্য করলেন তৃণমূলের (Trinamool Congress) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।
কী বললেন কুণাল (Kunal Ghosh)?
মার্চ মাসে তাপসী মণ্ডলের দলবদলের পরেই তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছিলেন, পদ্ম শিবিরের অন্তত চারজন সাংসদ তৃণমূলে আসার জন্য তৈরি হয়ে আছেন। একাধিক বিধায়কও তৈরি বলে জানিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যেই কুমারগ্রামের বিধায়কের ‘পদক্ষেপ’ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
কুণাল (Kunal Ghosh) ফের বলেন, একুশে বলেছিল আবকি বার ২০০ পার। যদিও মাত্র ৭৭টি আসনে বিজেপি থেমে গিয়েছিল। চব্বিশেও বলেছিল ৩০-এর বেশি আসন পাবে। দেখা গেল, আসন সংখ্যা ১৮ থেকে কমে ১২ হয়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসবে ততই ওরা ৬০ থেকে ৫০ হয়ে ৪০ হয়ে যাবে। এর উপাদান সর্বত্র দেখা যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ঘুটঘুটে অন্ধকার! মোবাইলের আলো জ্বেলে রায় লিখলেন হাইকোর্টের বিচারপতি! নজিরবিহীন ঘটনায় শোরগোল
তৃণমূল (TMC) নেতা দাবি করেন, বিজেপি বিধায়কদের দলের অন্দরেই বিরক্ত, অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে। তাঁদের নিজেদের মধ্যেই দূরত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরা অনেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে চাইছেন বলে দাবি করেন কুণাল।
যদিও বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এই জল্পনা খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূল থেকেই বিধায়করা দলবদল করার জন্য মুখিয়ে আছেন।
উল্লেখ্য, ভোটের আগে দলবদল একেবারেই নতুন কিছু নয়। বঙ্গ বিজেপির বহু হেভিওয়েট নির্বাচনের প্রাক্কালে অন্য শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। এমতাবস্থায় কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) দাবি করলেন, বিজেপির অনেকেই তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছেন। যদিও সেই দাবি সটান খারিজ করে পদ্ম বিধায়ক শঙ্কর দাবি করেন, তৃণমূলের বিধায়করাই দলবদলের জন্য মুখিয়ে আছেন।