শাড়ি নিয়েও তরজা! পুজো উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া উপহার ফিরিয়ে দিলেন BJP বিধায়িকারা

   

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর ঢাকে কাঠি! হাতে গোনা কয়েকদিনের অপেক্ষা, তারপরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। বর্তমানে খুশির মেজাজ গোটা বঙ্গে। তবে রাজনৈতিক উত্তাপ যেন তারও চেয়েও অধিক। বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে ম্লান উৎসবের আনন্দ। সম্প্রতি পুজো উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) উপহার পাঠিয়েছিলেন বিজেপির মহিলা বিধায়কেদের (BJP MLA) জন্য। তবে সেই উপহার সমূহ ফিরিয়ে দিল বিজেপির পরিষদীয় দল।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজো উপলক্ষে বিধানসভায় উপহার পাঠিয়েছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মহিলা বিধায়ক সকলের জন্যই শাড়ি পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই উপহার বিলি করেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

শুধু তাই নয়,বিধায়কদের জন্য আসা উপহার নিয়ে বিরোধী দলের ঘরে পৌঁছে যান পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো শুভেচ্ছা-বার্তা সহ উপহার গুলি দিয়ে আসেন ববি। তবে সপ্তাহ যেতে না যেতেই সেই শাড়ি ফেরত পাঠালেন বিরোধী গেরুয়া শিবিরের বিধায়কেরা। কিন্তু কেন?

বিধানসভা সূত্রে খবর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে সেই উপহার ফেরত পাঠিয়েছেন বিজেপি বিধায়কেরা। শাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের ব্যর্থতায় আজ কামদুনি কাণ্ডের দোষীরা মুক্তি পেয়ে গেল। গোটা রাজ্যে মহিলাদের ওপর নিত্যদিন অত্যাচার চলছে, আমাদের কর্মীদের মারা হচ্ছে, আমাদের কণ্ঠ রোধ করা হয়। বিধানসভায় আমাদের কথা বলতে দেওয়া হয় না। আর উনি শাড়ি দিয়ে ভাবছেন আমরা ওই শাড়ি পরে ঘুরবো?”

আরও পড়ুন: ‘পার্থর পর এবার আমাকেও তাড়িয়ে দেবে অভিষেক…’, CBI হানা দিতেই বিস্ফোরক ফিরহাদ

পাশাপাশি বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, “তাদের অনুপস্থিতিতে শাড়িগুলি তাদের ঘরে রেখে আসা হয়েছিল । ফিরহাদ হাকিম তারা যখন ছিলেন না তখন উপহার রেখে যান। তাদের অসম্মান করতেই না জানিয়ে ওই ভাবে উপহার রেখে যাওয়া হয়েছিল।”

bjp tmc

প্রসঙ্গত তৃণমূল তরফে বিজেপির ৭ মহিলা বিধায়কের জন্য উপহার পাঠানো হয়েছিল। তবে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনা করে বিজেপি বিধায়কেরা সেসব ফিরিয়ে দিয়েছেন। এমনটাই জানা গিয়েছে।

Sharmi Dhar
Sharmi Dhar

শর্মি ধর, বাংলা হান্ট এর রাজনৈতিক কনটেন্ট রাইটার। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ।

সম্পর্কিত খবর