বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘাটাল। এই কেন্দ্রের সাংসদ হলেন অভিনেতা দেব। ঘাটাল এলাকার মানুষের মূল সমস্যা দীর্ঘদিনের জলযন্ত্রণা ও বন্যা। বর্ষা এলেই বহু গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে। এর মধ্যেই সামনে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের আগে অভিনেতা-সাংসদ দেবের নির্বাচনী এলাকাতেই এবার বড়সড় দলবদলের ছবি সামনে এল। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে শতাধিক মহিলা কর্মী যোগ দিল বিজেপিতে (BJP)। এই যোগদান ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা।
তৃণমূলের শতাধিক মহিলা কর্মী শাসক দল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP)
অভিনেতা-সাংসদ দেবের নির্বাচনী কেন্দ্র ঘাটালেই তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরানোর দাবি করেছে বিজেপি (BJP)। তৃণমূলের শতাধিক মহিলা কর্মী শাসক দল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেছেন বলে জানানো হয়েছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ঘাটাল বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত অজবনগর ২, মোহনপুর এবং মনসুকা ২-সহ একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে এই মহিলা কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দেন। এই যোগদান ঘিরে জেলা রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।
এই উপলক্ষে ঘাটাল সদরের বিজেপি (BJP) দলীয় কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে নবাগত কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট। ওই অনুষ্ঠানে বিধায়কের পাশাপাশি জেলা ও ব্লক স্তরের একাধিক বিজেপি নেতৃত্বও উপস্থিত ছিলেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি সাধারণ মানুষ এবং কর্মীদের মোহভঙ্গ হচ্ছে। লাগাতার দুর্নীতির অভিযোগে মানুষ হতাশ হয়ে পড়ছেন বলেই দলে দলে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে তাদের বক্তব্য। যদিও এই বড়সড় যোগদানকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল শিবির।
ঘাটালের তৃণমূল নেতা বিকাশ কর এই ঘটনাকে ‘বিজেপির নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি, বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, বিজেপির এই ধরনের নাটকের সংখ্যাও তত বাড়বে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “তৃণমূল ছেড়ে কেউ যায়নি। যারা গেছে, তারা আদতে তৃণমূল কর্মীই নয়। ঘাটালের মানুষ তৃণমূলের সঙ্গেই ছিল, আছে এবং আগামীতেও থাকবে।”

আরও পড়ুনঃ বড় চমক রেলের, এই মাস থেকে বাংলায় চালু প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার, ভাড়া কত? জানুন
তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরের কর্মীদের এই দলবদল (BJP) নিচুতলার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে মহিলা কর্মীদের এই যোগদান শাসক দলের মহিলা ভোটব্যাঙ্কে কোনও ছাপ ফেলতে পারে কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।












