ঘুটঘুটে অন্ধকার! মোবাইলের আলো জ্বেলে রায় লিখলেন হাইকোর্টের বিচারপতি! নজিরবিহীন ঘটনায় শোরগোল

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এদেশের প্রাচীনতম হাইকোর্ট হল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এবার ভরদুপুরে সেই আদালতেই আচমকা অন্ধকার নামল। ফোনের আলো জ্বেলে রায় লিখলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ (Justice Tirthankar Ghosh)। ইতিমধ্যেই এই নজিরবিহীন ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হঠাৎ অন্ধকার কেন নামল?

গত ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা হাইকোর্টের মূল ভবনের পাশে সেন্টেনারি এবং সেসকুই সেন্টেনারি ভবনে সকাল ১১:২০ নাগাদ হঠাৎ আঁধার নেমেছিল। ব্যস্ততার সময় লোডশেডিংয়ের (Loadshedding) ঘটনায় আটকে গিয়েছিল বহু কাজ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার সমগ্র আদালত চত্বর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।

জানা যাচ্ছে, এদিন দুপুর ১২টা ৪৯ মিনিট নাগাদ হাইকোর্টে আচমকা লোডশেডিং হয়ে যায়। থমকে যায় একাধিক লিফট, এক্সেলেটর। লিফটের মধ্যে আটকে পড়েন আইনজীবী, মামলাকারীরা। থমকে যায় বিচারপ্রক্রিয়া।

আরও পড়ুনঃ ছাতা রেডি রাখুন! কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝেঁপে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের ‘এই’ ৩ জেলায়! আবহাওয়ার খবর

আদালত সূত্র উদ্ধৃত করে একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লোডশেডিংয়ের সময় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে একটি মামলা চলছিল। আদালতের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পুরো ঘর অন্ধকার হয়ে যায়। সেই সময় এজলাসে উপস্থিত আইনজীবীরা নিজেদের মোবাইলের (Mobile Phone) আলো জ্বেলে দেন।

প্রায় ৫০ জন আইনজীবীর মোবাইলের আলোয় ঝলমল করে ওঠে বিচারপতি ঘোষের এজলাস। সেই আলোতেই মামলার রায় লেখেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করছেন অনেকে।

Calcutta High Court

যদিও এই প্রথম নয়, গত ফেব্রুয়ারি মাসেও কলকাতা হাইকোর্টের একাংশে আচমকা লোডশেডিং হয়েছিল। নানান এজলাসে বিভিন্ন মামলার শুনানি খানিকক্ষণের জন্য আটকে যায়। তবে এদিন সমগ্র আদালত চত্বর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যা কার্যত নজিরবিহীন।

এদিকে মার্চ মাস থেকেই তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতাও ব্যতিক্রম নয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদা। এর ফলেই মহানগরীর বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিপর্যয় হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কলকাতা হাইকোর্টেও (Calcutta High Court) এর প্রভাব পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Sneha Paul

স্নেহা পাল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পড়াকালীন সাংবাদিকতা শুরু। বিগত ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত। রাজনীতি থেকে বিনোদন, ভাইরাল থেকে ভ্রমণ, সব ধরণের লেখাতেই সমান সাবলীল।

সম্পর্কিত খবর

X