‘জীবনে কারও কাছ থেকে এক কাপ চাও খাইনি, তাও ডিসটার্ব করছে ‘, রেগে লাল মমতা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সোমবার কলকাতার ধনধান্য স্টেডিয়ামে একটি বেসরকারি সিমেন্ট কারখানার উদ্বোধন উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সির (Central Agency) অতি সক্রিয়তার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ব্যবসায়ীদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার অভিযোগ এজেন্সি গুলো যেমন তাকে ও তার পরিবারকে হেনস্থা করা হচ্ছে ঠিক একই ভাবে এজেন্সি দিয়ে ব্যবসায়ীদেরও হেনস্থা করছে কেউ কেউ।

ঠিক কী বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো? “কখনও কখনও কিছু কিছু লোক আপনাদের উত্যক্ত করবে। এসব নতুন কিছু না। আমি জানি আপনাদের উপর অনেক চাপ আছে। আপনাদেরও এজেন্সি দিয়ে হেনস্থা করা হয়। ভবিষ্যতেও হয়তো করা হবে। আমার পরিবারকেও হেনস্থা করা হচ্ছে। তা বলে কাজ বন্ধ করে দেব নাকি?”

   

ব্যবসায়ীদের আশ্বাস দিয়ে মমতা বলেন, “এসবের মধ্যেও এগোতে হবে। আপনাদের ভয় পেলে চলবে না, সরকার সবসময় সবরকম ভাবে আপনাদের পাশে আছে।” এদিন ধনধান্য স্টেডিয়ামে ক্রেডাই বেঙ্গলের একটি রিয়েল এস্টেট তরফে আয়োজন করা সম্মেলনে দাঁড়িয়ে এমন মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: জোড়া ঘূর্ণাবর্ত! কিছুক্ষণের মধ্যেই দুর্যোগ এই ৫ জেলায়, সবথেকে ভয়ঙ্কর আপডেট দিল হাওয়া অফিস

কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে তোপ দেগে মমতা আরও বলেন, ” আমি সারা জীবনে কখনও কারও কাছ থেকে এক পয়সা, এক কাপ চা নিইনি। এটা এক ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। এসবকে বেশি গুরুত্ব দেবেন না। আমি বুঝতে পারি না, আপনি যদি কিছু কেনেন, ধরুন সেটা কাপ আর প্লেট, ইডি কি তার তদন্ত করতে পারে”? প্রশ্ন মমতার।

mamata sad

আরও পড়ুন: ‘নির্দেশ অগ্রাহ্য করেছে CBI, যা…’, কুন্তলের চিঠি মামলায় এজেন্সির ওপর খড়্গহস্ত বিচারক

বাংলার শিল্পে বাংলার শ্রমিকদের জায়গা করে দেওয়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্মাণ সংস্থাগুলোর উদ্দেশে মমতা বলেন, “আপনাদের বাইরে থেকে দক্ষ শ্রমিক আনতে হবে না। এখানে ৪৪ লক্ষ দক্ষ শ্রমিক রয়েছেন। ওদের তালিকা আপনাদের দিয়ে দেব। ওদের কাজে লাগাবেন। প্রোজেক্টের কাজে স্থানীয় মানুষ যুক্ত হলে অনেক দিক থেকে সুবিধে হয়। সরকারের নিজস্ব ল্যান্ড ব্যাঙ্কও রয়েছে। ফলে জমিরও সমস্যা হবে না।”

Sharmi Dhar
Sharmi Dhar

শর্মি ধর, বাংলা হান্ট এর রাজনৈতিক কনটেন্ট রাইটার। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ।

সম্পর্কিত খবর