৯ মাসেই মিলল বিচার! নতুন রাজ্য সরকারের জামানায় এই প্রথম মৃত্যুদণ্ডের রায় দিল আদালত

Published on:

Published on:

court has handed down a death sentence in dhupguri case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ধূপগুড়ির (Dhupguri) গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডে বৃহস্পতিবার বড় রায় জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের। অভিযুক্ত শ্রীকান্ত রায়কে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছেন বিচারক বিপ্লব রায়। মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে ঘটনার মাত্র নমাসের মধ্যে। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্তের দুই নাবালক সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ধূপগুড়ির (Dhupguri) গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডে মাত্র ৯ মাসের মধ্যেই বিচার

অভিযুক্তের সন্তানদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে জেলা প্রশাসন এবং ডিস্ট্রিক্ট লিগাল এইড ফোরামকে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই সন্তান ২১ বছরে না পৌঁছনো পর্যন্ত তাদের দেখভালের ব্যবস্থা করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি সামনে আসে এই হত্যার ঘটনা। তদন্তের পর মামলা গড়ায় জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে। পরবর্তী সময়ে শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া চলে। প্রায় নমাসের মধ্যেই সেই বিচারপর্ব শেষ করে বৃহস্পতিবার সাজা ঘোষণা করা হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, শ্রীকান্তের স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক যুবকের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। অভিযোগ, ওই সম্পর্কের কথা জানার পর স্ত্রীকে সেই যুবকের সঙ্গেই বিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন শ্রীকান্ত। কিন্তু এরপরও তাঁর ক্ষোভ কাটেনি। যে যুবকের সঙ্গে স্ত্রীকে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাঁর বাড়িতে গিয়ে শ্রীকান্ত হামলা চালান বলে অভিযোগ। সেখানেই তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার ভয়াবহতা এবং মামলায় উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালত অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছে।

court has handed down a death sentence in dhupguri case

আরও পড়ুন :বন্ধ থাকবে স্কুল! টানা ১০ দিন ছুটি পড়ুয়াদের, দেখে নিন তালিকা

সরকারি আইনজীবী হায়দার আলী জানান, নৃশংসভাবে খুন করার জন্য মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়েছে। নতুন সরকারের আমলে রাজ্যে এটিই সম্ভবত প্রথম মৃত্যুদণ্ডের রায় বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে ধূপগুড়ির এই মামলার রায় শুধু দ্রুত বিচার শেষ হওয়ার কারণেই নয়, সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণার দিক থেকেও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।