বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি রাজ্য জুড়ে জঙ্গি সংগঠন ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’ এর সাথে যোগের সন্দেহে তল্লাশি চালালো এনআইএ (NIA)। তল্লাশিতে মোট চারজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এবার সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিক সন্মেলনে মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপি প্রধান দেবজিৎ সরকার (Debjit Sarkar)। জানালেন NIA তল্লাশির প্রয়োজনীয়তা ও আগামী দিনে এমন স্লিপার সেল খুঁজে পাওয়া গেলে কি করা হবে!
বহু জায়গায় বাংলাদেশের জঙ্গি ঢুকে পড়েছে, NIA তল্লাশির প্রয়োজনীয়তা আছে
দেবজিৎ সরকারের মতে, এনআইএ তল্লাশি চালানোর প্রয়োজনীয়তা আছে। বহু জায়গায় বাংলাদেশের জঙ্গিরা ঢুকে পড়েছে। রোহিঙ্গারা যখন এখানে এসে জামাই আদর পাচ্ছিল, রোহিঙ্গা মুসলমানরা তারা ঢুকে পড়েছে। এমনকি আপনারা জানেন যে মঙ্গলকোট ওই এলাকা থেকে জঙ্গি সন্দেহে একজন ইমামকে আটক করা হয়েছে। তার কাছে কিছু ডায়রি ইত্যাদি তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তাছাড়া, পাশের রাষ্ট্র হওয়ার কারণে বাংলাদেশ থেকে তখন কোনরকম ফেন্সিং অনেক জায়গায় ছিল না। তৎকালীন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের শাসনে থাকা রাজ্য সরকার তারা সেই ব্যবস্থা করে রেখেছিল যাতে কলকাতাকে সেফ প্যাসেজ বা পশ্চিমবঙ্গকে সেফ প্যাসেজ করে এরা সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ ‘গরিব হিন্দু-মুসলমানের জন্য, বিজেপি নয়’, বিস্ফোরক দাবি নওশাদ সিদ্দিকীর
এরপর তিনি আরও বলেন, সংগত কারণেই নতুন রাষ্ট্রবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হবার পরে পরেই কিছুদিনের মধ্যেই এক মাসও যায়নি, তার মধ্যেই মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভন্দু অধিকারী তিনি অতি দ্রুত জমি হস্তান্তরিত করেন বিএসএফ এর কাছে। এর সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে বাংলাদেশী, আপনাদের ক্যামেরাতেও আপনারা দেখিয়েছেন বিভিন্ন কলোনি করে থাকে। গুলসন কলোনি তারপরে এখানে একটা রাজারহাটের কোন একটা কলোনি মহানন্দার নিচে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে বহু জায়গাতে এগুলো থেকে ওরা পালিয়ে যায়।
শুধু তাই নয়, আগামী দিনে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেই সম্পর্কেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। দেবজিৎবাবু জানান, এরপরেও যারা রয়ে গেছে তাদেরকেও ঘাড় ধরে বার করে দেওয়া হবে। কিন্তু এখানে বসে জঙ্গি হামলা করার অপচেষ্টা বা স্লিপার সেল হিসেবে যারা কাজ করবেন তাদেরকে বার করা হবে। তাদেরকে আইন আমলে আনা হবে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী সুবেন্দ অধিকারী এই বার্তা দিয়েছেন। আমাদের পশ্চিমবঙ্গের জাগ্রত জনতা সতর্ক থাকবেন। কোন কিছু অসুবিধাজনক বা অসংলগ্ন কোন কিছু চোখে পড়লেই সরাসরি স্থানীয় থানাকে জানান ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরপর নব্য বিজেপি সম্পর্কে তিনি জানান, নব্য বিজেপি কি কি বিজেপি আমি জানিনা। কোন বিজেপির কর্মী কোন জায়গায় কোনরকম তোলাবাজি বা চাঁদা তোলা ইত্যাদির সঙ্গে যদি যুক্ত থাকেন, তাহলে আর যাই হোন পার্টি তাকে কোনরকম সহযোগিতা করবে না। পার্টি এই ধরনের কোনরকম পলিটিক্যাল ইমিউনিটি কাউকে দেবে না। আমাদের ওপরে যে জিনিস বলা হচ্ছে এই নব্য বিজেপি ইত্যাদি। এই অভিযোগ যদি থাকে ক্লাব যে এলাকায় আছেন সেইখানে যে থানা অবিলম্বে ক্লাবের কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে অভিযোগ করুন। আর কি বললেন তিনি? দেখে নিন নিচের ভিডিওতে,













