রাজনীতিতে আসলে কেরিয়ার শেষ, সাংসদ হওয়ার পর নায়িকারা এড়িয়ে চলত, বিষ্ফোরক দেব

বাংলাহান্ট ডেস্ক: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সুপারস্টার তকমা তাঁর পরবর্তী যুগে যিনি বহন করে চলেছেন তিনি নিঃসন্দেহে দেব (Dev)। আদ্যোপান্ত মূলধারার বাণিজ্যিক ছবি থেকে উঠে এসে এখন নিজের প্রযোজনায় ভিন্ন ধরণের গল্পে মন দিয়েছেন তিনি। যে দেবের ‘খোকাবাবু’ গানে এক সময় নাচত সিনেপ্রেমীরা, এখন তিনিই বানাচ্ছে ‘টাকা লাগে’র মতো গানের ছবি। সফরটা নিঃসন্দেহে দীর্ঘ এবং কঠিন।

   

অভিনেতা হিসাবে টলিউডে পথ চলা শুরু করেছিলেন দেব। তারপর পা রাখেন রাজনীতিতে। প্রথম বারেই ঘাটালের সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। এখন অভিনয় এবং রাজনীতি দুটোই সমান ভাবে সামলাচ্ছেন তিনি। কিন্তু দেব জানান, সব সময় এমনটা ছিল না। তিনি সাংসদ হওয়ার পর অনেকের কাছ থেকেই শুনেছিলেন, এবারে তাঁর ফিল্মি কেরিয়ার শেষ। নায়িকারাও এড়িয়ে চলতে শুরু করেছিলেন তাঁকে। অনেক বার এমন হয়েছে, নায়িকা সিনেমা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন, তিনি তবুও পোস্টার রিলিজ করেছেন।


অবসাদে ভুগেছেন দেবও। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন খারাপ সময় থেকে আবার ভাল সময়ে ফেরা যায়। সেই ভাবনা থেকেই বানিয়েছেন ‘কাছের মানুষ’। এক সাক্ষাৎকারে দেব বলেন, এই ছবির জীবনের গল্প বলবে। এমন একটা সময় যখন চারিদিকে তারকাদের আত্মহত্যার খবর শোনা যাচ্ছে, তখন এই ছবি কাছের মানুষদের গুরুত্ব বোঝাবে।

তাহলে প্রেমিকা রুক্মিনী মৈত্র বাদে ইন্ডাস্ট্রিতে দেবের সবথেকে কাছের মানুষ কে? অভিনেতা উত্তর দেন, দর্শকদের চেয়ে কাছের মানুষ আর কেউ নেই তাঁর। কারণ দর্শকরা নিঃস্বার্থ ভাবে ভালবাসা দিয়েছে তাঁকে। দেবের স্পষ্ট বক্তব্য, তিনি যেটা পারেন না সেটা করেন না। যেমন রাজনীতি। কিন্তু তিনি পরিশ্রম করতে পারেন।

প্রযোজক হিসাবে নিজের ছবির জন্য তরুণ পরিচালকদের সুযোগ দিচ্ছেন দেব। ফলও পাচ্ছেন হাতেনাতে। দেব বলেন, যারা বাংলা ছবির জন্য ভাল কিছু করতে পারবে তাদের সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। কাছের মানুষের পরিচালক পথিকৃৎ বসুকে অনেকেই প্রত্যাখ্যান করেছিল। তারাই এখন তাঁকে ডেকে আনছে। টলিউডের জন্য এই সুযোগটাই করে দিতে চান দেব।