টাইমলাইনবিনোদন

টলিউডের পথে হাঁটল বলিউডও, কন‍্যাদান না করেই বিয়ে সারলেন দিয়া-বৈভব

বাংলাহান্ট ডেস্ক: অতি সম্প্রতি দ্বিতীয় বারের জন‍্য বিয়ের (wedding) পিঁড়িতে বসেছেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা (dia mirza)। মুম্বইয়ের ব‍্যবসায়ী বৈভব রেখির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পরেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজনে। দিয়া বৈভবের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বেশ শোরগোল হয় বলি ইন্ডাস্ট্রিতে।

দিয়ার এই দ্বিতীয় বিয়েতে ছিল আরো বড় চমক। মহিলা পুরোহিত শিলা আট্টা বিয়ে দেন দিয়া বৈভবের। তবে বিয়েতে কন‍্যাদান, বিদাই এর মতো কোনো আচার অনুষ্ঠান ছিল না। বৈদিক মতে বিয়ে সম্পন্ন হয় দিয়া ও বৈভবের। এমন অভিনব বিয়ে আগেই দেখা গিয়েছে টলিউডে। এবার সেই পথে হাঁটল বলিউডও।


কিন্তু এমন বিয়ের ভাবনা হঠাৎ কিভাবে এলো দিয়ার? অভিনেত্রী জানান, দু বছর আগে নিজের এক বান্ধবী অনন‍্যার এমন বিয়ে দেখে চমকিত হন তিনি। সেই থেকেই অনুপ্রেরণা। তাই নিজের দ্বিতীয় বিয়ের কথা উঠতে দিয়া ঠিক করে নিয়েছিলেন বৈদিক মতেই বিয়ে সারবেন। বান্ধবীকে ধরে পুরোহিত শিলা আট্টাকেও রাজি করিয়ে নেন তিনি।

দিয়ার এমন ভাবনার প্রশংসা করেছেন তাপসী পান্নু, তাহিরা কাশ‍্যপরা। তবে বলিউডে এমন দৃশ‍্য প্রথম হলেও টলিউডে কিন্তু আগেই বৈদিক মতে বিয়ে করেছেন অভিনেতা অভিনেত্রীরা। গৌরব চ‍্যাটার্জী দেবলীনা কুমার ও ওম মিমি বৈদিক রীতিতেই বিয়ে করেছেন।

প্রসঙ্গত, বিয়ের দিন লাল ও সোনালি শাড়িতে সেজেছিলেন দিয়া। সঙ্গে কুন্দনের গয়না। পাশে সাদা শেরওয়ানি ও পাগড়িতে দেখা গেল বৈভবকে। দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ জনদের উপস্থিতিতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। বিয়ের পর পাপারাৎজির সামনে এসে মিষ্টিও বিতরণ করেন দিয়া। এর আগেই জানা গিয়েছিল প্রি ওয়েডিং অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে অভিনেত্রীর বাড়িতে। তবে ধুমধাম করে বিয়ে হয়নি দিয়া ও বৈভবের।

এর আগে থাপ্পড় ছবির প্রচারে এসে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে দিয়ার বিচ্ছেদ নিয়ে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী জানান, স্বামী সাহিলের সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়টা তিনি ভালভাবেই মেনে নিয়েছেন। ৩৪ বছর আগের স্মৃতিই তাঁকে শক্তি যোগায়।

দিয়ার কথায়, “একজন তারকা হওয়ার দরুন আমি কোনও বিষয়ে কষ্ট পেতে পারিনা। ৩৪ বছর আগে আমার বাবা মায়ের বিচ্ছেদের থেকে আমি শক্তি পাই। আমি নিজেকে নিজে বলি, যদি আমি সাড়ে চার বছর বয়সে বিষয়টা মেনে নিতে পেরেছিলাম তাহলে এই ৩৭ বছর বয়সে কেন নয়। মানুষ ভয়ের কারনেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়। মাথা ঠান্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়।”

Back to top button