বাংলাহান্ট ডেস্ক : ধৃত জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) টাকা ফেরতের তথ্য নিয়ে এখনও বিভ্রান্তিতে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর আগে ইডি হেফাজতে থাকাকালীন তিনি দাবি করেছিলেন, চাকরি প্রার্থীদের থেকে তিনি টাকা নেনইনি, তাই কাউকে টাকা দেনওনি। উল্টে একজন ব্যক্তিকে জমি কেনা বাবদ ওই টাকা দিয়েছিলেন বলে জানান বিধায়ক।
জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) টাকা ফেরতের তথ্য মিলছে না?
উল্লেখ্য, এসএসসি মামলায় অভিযুক্ত শান্তিপ্রসাদ সিংয়ের সঙ্গে এজেন্ট প্রসন্ন রায়ের মাধ্যমে জীবনকৃষ্ণের (Jiban Krishna Saha) যোগাযোগ হয়েছিল বলে জানা যায় ইডি সূত্রে। এই মর্মে জেরার মুখেও পড়েছিলেন তিনি। তদন্তকারী সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, যে টাকা এজেন্ট বা চাকরিপ্রার্থীদের থেকে তিনি নিয়েছিলেন, তা ফেরত দিতে শুরু করেছিলেন জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha)।
কী জানা গিয়েছে ইডির তরফে: ইডি সূত্রে খবর, বিভিন্ন এজেন্টদের থেকে ৪৬ লক্ষ টাকা তুলে বাবা, স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। তার মধ্যে ১২ লক্ষ টাকা একজন এজেন্টের মাধ্যমে তুলেছিলেন তিনি। যদিও তার মধ্যে পাঁচ লক্ষ টাকা নাকি তিনি ফেরত দিয়ে দেন। তবে ইডির এই দাবি অস্বীকার করেছেন জীবনকৃষ্ণ।
আরও পড়ুন : আরোপ করা শুল্ক “অবৈধ”! নিজের দেশের আদালতই ঝটকা দিল ট্রাম্পকে, সঙ্কটের মুখে মার্কিন অর্থনীতি
টাকার সূত্র অজানা: ইডি সূত্রে খবর, জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) দাবি করেছিলেন, জমি কেনার জন্য নিজের জমানো টাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারপরে অবশ্য জমি কেনার কোনও চুক্তিপত্র দেখাতে পারেননি জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha)। এদিকে তৃণমূল বিধায়কের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে খবর তদন্তকারী সংস্থার তরফে।
আরও পড়ুন : নতুন রুট খুলতেই ‘হটস্পট’ এসপ্ল্যানেড স্টেশন, ভিড়ের চাপ কমাতে এবার নয়া উদ্যোগ মেট্রো কর্তৃপক্ষের
টাকার সূত্র কী, তা জানাতে পারেননি জীবনকৃষ্ণ। এও জানা গিয়েছে, পরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের পাশাপাশি পরিবারেল গাড়ির চালকের অ্যাকাউন্টেও নাকি টাকা গিয়েছে। রয়েছে তাঁর নামে সম্পত্তিও। সেসবেরই সন্ধান ইডি চালাচ্ছে বলে খবর।