I-PAC কাণ্ডে নয়া মোড়! মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে সুপ্রিম কোর্টে ED

Published on:

Published on:

ED Moves Supreme Court Over Obstruction During Search Operation
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাক এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনর বাড়িতে হওয়া ইডি অভিযান ঘিরে রাজ্যের রাজনীতিতে যে তোলপাড় শুরু হয়েছে তার রেশ এবার পৌঁছল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে (Supreme Court)। তল্লাশির সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। এই ঘটনায় রাজ্য সরকার, মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দুটি পিটিশন দাখিল ইডির

এই ঘটনায় মোট দুটি পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। একটি পিটিশন করা হয়েছে ED-র তরফে। অন্য পিটিশনটি দাখিল করেছেন ED-র তিন অফিসার- নিশান্ত কুমার, বিক্রম এহেলাওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই মামলায় পার্টি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে। পাশাপাশি মামলায় নাম রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়াও পার্টি করা হয়েছে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের- ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার (CP) এবং আইপিএস অফিসার প্রিয়ব্রত রায়কে।

তল্লাশিতে বাধার অভিযোগ

আবেদনে ইডি জানিয়েছে, তল্লাশি চালানোর সময় অন্যায়ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ইডি-র অভিযোগ, আইন মেনে তল্লাশি চালানো সত্ত্বেও তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। পিটিশনে ইডি-র তিন অফিসার অভিযোগ করেছেন, তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী-সহ প্রশাসনের শীর্ষ স্তর থেকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবি, এই বাধার ফলে ইডি স্বাভাবিক তদন্ত প্রক্রিয়া চালাতে পারেনি।

ED Moves Supreme Court Over Obstruction During Search Operation

আরও পড়ুনঃ মেয়ের স্মৃতিতে বিনামূল্যের হাসপাতাল, শোককে শক্তি করে নতুন লড়াইয়ে নামলেন অভয়ার বাবা-মা

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইডি আগেই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন করে জানিয়েছে যে, পুরো ঘটনার বিষয়ে সিবিআই দিয়ে FIR করার অনুমতি দেওয়া হোক। একই সঙ্গে গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তেরও আবেদন জানানো হয়েছে। ED-র আবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় যারা উপস্থিত ছিলেন, অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পুলিশ আধিকারিক-সহ সকলের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হোক। কে, কীভাবে তল্লাশিতে বাধা দিল, তা তদন্ত করে দেখা জরুরি বলেই দাবি ইডির।