বাংলাহান্ট ডেস্ক : বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে একটি হল গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar)। কথায় আছে, সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে গঙ্গাসাগর মেলা। চলবে ১৪ জানুয়ারি অর্থাৎ মকর সংক্রান্তি পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই কলকাতার বাবুঘাটের রাস্তার পাশে বসে গিয়েছে সার সার তাঁবু। সাধুসন্তদের পাশাপাশি পুণ্যার্থীরাও ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। দূরদূরান্ত থেকে যারা গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মেলায় আসার পরিকল্পনা করছেন, নামমাত্র খরচে তাদের জন্য থাকছে সরকারি গেস্টহাউস, ডরমিটরি থেকে কটেজ। কীভাবে করবেন বুকিং, রইল বিস্তারিত তথ্য।
শুরু হতে চলেছে গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar)
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে গঙ্গাসাগর মেলা অত্যন্ত পবিত্র এক তীর্থক্ষেত্র। এই একটি সময়েই কপিল মুনির আশ্রম জলের উপরে প্রকাশিত হয়। এই একটি সময়ে তাই তিল ধারণের জায়গা থাকে না এখানে। স্বাভাবিক ভাবেই হোটেল, রুমের ভাড়াও বেড়ে যায় বহুগুণ। এমতাবস্থায় কোথায় পাওয়া যাবে সস্তায় থাকার ভালো জায়গা?

কত থেকে শুরু ভাড়া: গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) কপিলমুনি শাঙ্খযোগ আশ্রম বা কপিল কুঠি বেশ জনপ্রিয়। অন্য সময় এখানে ২৫০ টাকায় রুম পাওয়া গেলেও মেলার সময় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০০ টাকা। এছাড়া রয়েছে স্বর্গ আশ্রম, যেখানে রুমের ভাড়া শুরু ৮০০ টাকা থেকে। পাশাপাশি রয়েছে ভারত সেবাশ্রম। এখানে মেলার সময় থাকার কোনও খরচ নেই। তবে অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন।
আরও পড়ুন : ৭৮ টি ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা দেবলীনার! উৎস কী এত ওষুধের? তলে তলে চলছে কালোবাজারি?
আশ্রমে থাকার সুবন্দোবস্ত: এছাড়াও রয়েছে ওঙ্কার নাথ পান্থনিবাস। কপিলমুনি ধর্মশালাতেও একরাত থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে। মেঝেতে তোষক পেতে শুতে পারবেন। রাধাকৃষ্ণ সেবাশ্রমেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুব হোস্টেল। এখানে পাওয়া যাবে কটেজ, ডরমিটরি, ডবল বেড। রয়েছে অনলাইনে বুকিংয়ের ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন : ‘৩০ বার ফুলশয্যা, ৪০ বার হানিমুন…’, হঠাৎ এ কী বলে বসলেন কাঞ্চন!
এখানে কটেজের দাম ২ হাজার টাকা, ডরমিটরি রয়েছে ২২৫ টাকায়। আর ৮০০-৯০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে ডবল বেড। পূর্ত বিভাগের অধীনে সাগর বলাকা গেস্ট হাউজও বুক করতে পারেন। তবে মেলার সময় বেড়ে যেতে পারে ভাড়া। যারা আশ্রমে থাকার পরিকল্পনা করছেন তাদের নিজেদের বালিশ, কম্বল, বিছানার চাদর নিয়ে আসতে হবে।












