বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ট্যুইট করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। ওনার ক্ষোভ প্রকাশের প্রধান কারণ হল, গতকাল বিজেপির মিছিলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বলবিন্দর সিং নামের যেই ব্যাক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কারণে গ্রেফতার করেছিল সেই বিষয়ে। জানিয়ে দিই, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দ্বারা বলবিন্দর সিং নামের ওই দেহরক্ষীকে হেনস্থা করার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, পুলিশের কর্মীরা বলবিন্দর সিংয়ের মারধোর করছে এবং ওনার পাগরি খুলে যাওয়ার পর ওনাকে চুল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। জানিয়ে দিই, বলবিন্দর সিং একজন শিখ ব্যাক্তি আর একজন শিখ ব্যাক্তির কাছে তাঁর পাগরি তাঁর সন্মান। আর সেই পাগরির অপমান করা মানে গোটা ধর্মের অপমান। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ হরভজন মমতা ব্যানার্জীর কাছে ন্যায় বিচার চেয়ছেন।
😡😡😡😡🤬 https://t.co/gLwxZviwRC
— Harbhajan Turbanator (@harbhajan_singh) October 9, 2020
এছাড়াও বিজেপির নেতা তেজিন্দর সিং বজ্ঞা মমতার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন যে, মমতার পুলিশ শিখ ধর্মের অপমান করেছে। বিজেপি নেতা ট্যুইট করে লিখেছেন, এই ঘটনা ১৯৮৪ এর শিখ বিরোধী দাঙ্গার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। মমতার পুলিশ এক শিখ ভাইয়ের পাগড়ি খুলে দিয়ে তাঁর কেশের অপমান করেছে। এই দেশ স্বাধীন করায় সবথেকে বেশি বলিদান দিয়েছিল শিখ ভাইয়েরা। আর তাঁদের উপর যারা এহেন অত্যাচার করেছে, তাঁদের এক মিনিটও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।
ममता सरकार द्वारा जिस तरीके से एक सिख सुरक्षाकर्मी की पगड़ी को उतार कर केशों का अपमान किया गया ये देख 84 नरसंहार के दृश्य सामने आ गए।इस देश की आजादी में सबसे ज्यादा बलिदान देने सिख कौम के साथ व्यवहार करने वाली सरकार को 1 मिनट भी सत्ता में रहने का अधिकार नही है। pic.twitter.com/joR8tURpYE
— Tajinder Bagga (@TajinderBagga) October 9, 2020