বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান দিনে স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকতে সকলেই পছন্দ করেন। এবার এই স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার ফলে অনেকেই খাবারের প্রতি বেশি নজর দেয় (Health)। আর যারা স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকতে পছন্দ করেন তারা অধিকাংশ সময় ডিম খেয়ে থাকেন। কারণ ডিমের মধ্যে রয়েছে হাই প্রোটিন। তবে সম্প্রতি এই ডিম নিয়ে উঠে এসেছে যে নানান রকমের তথ্য। সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল ডিমে ক্যানসার সৃষ্টিকারী পদার্থ রয়েছে৷ শনিবার এই ধরনের প্রতিবেদন ও পোস্টের তীব্র নিন্দা করেছে FSSAI।
বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, ডিম-ক্যানসার দাবি খারিজ FSSAI-এর (Health)
একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ডিমের মধ্যে রয়েছে নাইট্রোফিউরাল মেটাবোলাইটস। যা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ। আর এই বিষয়ে জানার পরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে, FSSAI এই দাবিগুলি বৈজ্ঞানিকভাবে ভিত্তিহীন এবং অপ্রয়োজনীয় ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টিকারী বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি আরও জানিয়েছে কোন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য (Health) সংস্থা কখনোই বলেনি স্বাভাবিকভাবে ডিম খাওয়ার সঙ্গে ক্যান্সারের বৃদ্ধি ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রী পরিষেবায় নতুন ভাবনা! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের আঞ্চলিক খাবারের মেনুতে জোর দেওয়া হচ্ছে বাঙালি পদে
তবে এই বিতর্কে কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড এগোজ এর ডিমের একটি নির্দিষ্ট ব্যাচ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট। যেই রিপোর্টে নিষিদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক গোষ্ঠী নাইট্রোফিউরানের সামান্য অবশিষ্টাংশ পাওয়ার অভিযোগ করা হয়।
এরপরই FSSAI কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, খাদ্য নিরাপত্তা ও মান (দূষক, বিষাক্ত পদার্থ ও অবশিষ্টাংশ) বিধিমালা, ২০১১ অনুযায়ী পোলট্রি উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে পশুখাদ্যেও, নাইট্রোফিউরানের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদিও এর আগেই, চলতি সপ্তাহে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলের মান নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক দপ্তরগুলিকে সারা দেশে ব্র্যান্ডেড ও আনব্র্যান্ডেড ডিমের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছিল।
যদিও এই ব্যাখ্যার বিষয় সংস্থা তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নাইট্রোফ্রিউরান মেটাবোলাইটসের জন্য ১.০ মাইক্রগ্রাম/কেজি মাত্রার একটি এক্সট্রেনিয়াস ম্যাক্সিমাম রেসিডু লিমিটেড নির্ধারিত রয়েছে। তবে এই সীমা শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগের জন্য একটি মানদণ্ড। কোনভাবেই এটি ওষুধটির ব্যবহারের অনুমোদন বা নিরাপত্তায় সীমা নয়। এছাড়াও একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের দূষণের অভিযোগে প্রসঙ্গে FSSAI জানিয়েছে, বিভিন্ন পরীক্ষাগার ফলাফল প্রায়শে নির্দিষ্ট ব্যাচের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। পাশাপাশি গোটা দেশের ডিমের সরবরাহকে অতি নিরাপদ বলে দাগিয়ে যাওয়া বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল বলেও সতর্ক করেছেন এই সংস্থা। বিবৃতি শেষে FSSAI গ্রাহক ছড়ানোর ডিজিটাল কনটেন্টের বদলে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিক পরামর্শের উপর আস্থা রাখার জন্য জানিয়েছেন (Health)।












