বাংলা হান্ট ডেস্ক: আবহাওয়ার খামখেয়ালির জন্য প্রতিটি ঘরে ছোট থেকে বড় সকলেরই কম বেশি ঠাণ্ডা লাগছে। এই ঠান্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচার জন্য খেতে হচ্ছে নানান ধরনের ওষুধ খেতে হচ্ছে। তবে এই সকল ওষুধ শরীরের পক্ষে ভালো নয়। তাই ঠান্ডা লাগলে আপনি খেতে পারেন ঘরোয়া কিছু পানীয়। যা আপনাকে ঠান্ডা লাগার হাত থেকে রক্ষা করবে (Health Tips)।
কাশি, সর্দি ও গলা ব্যথায় কোন চা খেলে মিলবে বেশি উপশম? (Health Tips)
আজকাল সকলে স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকতে পছন্দ করেন। এই সচেতনতার ক্ষেত্রে নানান পন্থা অবলম্বন করেন অনেকে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে গেলে, একদিকে যেমন খাবারের দিকে নজর রাখা উচিত। অপরদিকে এমন কিছু জিনিস খাদ্য তালিকায় রাখা দরকার যা, শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তবে আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য ঠান্ডা বারবার লাগছে। এবার ঠান্ডা লাগলে আর বাইরের থেকে কিনে আনা ওষুধ কিনে খেতে হবে না। যদি আপনি আপনার ডায়েটে এই পানীয়গুলো রাখেন (Health Tips)।
আরও পড়ুন: উৎসবের মরশুমের আবহে লাফিয়ে বাড়ল সোনার দাম! প্রতি গ্রাম কিনতে করতে হবে কত খরচ?
আদা চা: আদা চা শরীরের (Health) পক্ষে উপকারী। পাবমেডে প্রকাশিত ২০১১ সালে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, আদার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ থাকে। যা প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। এটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবেও কাজ করে। তাই ঠান্ডা লাগলে অথবা গলা খুসখুস করলে এই পানিওটি পান করতে পারেন। এছাড়াও পেট ফাঁপা ও হজমের সমস্যা থাকলে আদা চা খেতে পারেন।
তুলসী চা: তুলসী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সঙ্গে প্রাথমিকভাবে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। পাশাপাশি সর্দি ও কাশিতে তুলসী চা দারুন ভাবে উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে নিয়মিত তুলসী চা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও বর্ষাকালে এই চা খাওয়া ভালো।
আদা চা ও তুলসী চা’র মধ্যে এগিয়ে কে?
আদা ও তুলসির পুষ্টি কোন উপকারিতার দিক থেকে কেউ কারো থেকে কম নয়। বর্ষায় রোগ সংক্রমণের থেকে প্রতিরোধ করতে এই দুটি উপকরণ ভীষণভাবে সাহায্য করে। এছাড় আদাও তুলসী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
কীভাবে বানাবেন?
প্রথমে জল গরম করে তাতে আদা ও তুলসী ফুটিয়ে নিন। এরপর ছেঁকে এটি পান করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোন কিছু বেশি খাওয়া শরীরের (Health) পক্ষে উপকারী হয় না।
(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য। কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনারা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।)