বাংলা হান্ট ডেস্ক: ফের আরও একবার এসআইআর (SIR)-এর চাপ। এবার মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ বিএলওর (BLO)। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়ের বাসিন্দা পেশায় স্কুল শিক্ষা বিএলও মহম্মদ কায়ামুদ্দিন। জানা যায়, শ্রীরামপুর এসে লঞ্চ থেকে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন (Hooghly)।
মোবাইল রেখে গঙ্গায় ঝাঁপ, উদ্ধারের পর ‘চাপ’-এর অভিযোগ (Hooghly)
জানা যায় এসআইআর (SIR)-এর চাপ সামলাতে পারছিলেন না বলে দাবি তাঁর। ফেরিঘাটের কর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এসে বিএলও-কে হাসপাতালে নিয়ে যায় (Hooghly)। সূত্রের খবর, শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটা নাগাদ হুগলির শ্রীরামপুর ফেরিঘাট থেকে যাত্রী বোঝাই একটি লঞ্চ উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ফেরিঘাটে যাওয়ার সময় এক যাত্রী মাঝ গঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ মারেন।

আরও পড়ুন: হোলি স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচি প্রকাশ, ব্যান্ডেল থেকে আসানসোল পর্যন্ত মিলবে বাড়তি সুবিধা
তখন লঞ্চে থাকা কর্মীরা তৎক্ষনাত তাঁকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই যাত্রীর নাম মহম্মদ কায়ামুদ্দিন। টিটিগড়ের বাসিন্দা তিনি । কাজ করেন কাঁচরাপাড়ার একটি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। এবং তিনি বিএলও হিসাবে কাজ করছিলেন এসআইআর-এ। পাশাপাশি তাঁর বুথে ১ হাজার ২৪৫ জন ভোটার রয়েছে। তিনি এসআইআর এর নথি ভর্তি ব্যাগ মোবাইল ফোন লঞ্চে রেখে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিলেন।
এই ঘটনা পরিপেক্ষিতে শিক্ষকের দাবি করেন তিনি চাপ নিতে পারছিলেন না। ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্র তাঁর অক্ষমতা আছে। তিনি আরও জানান নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের জানিয়েছেন। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি।
দিনের পর দিন তাকে এসআইআর এর কাজ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হয়। আজ সকালে ব্যারাকপুর থেকে শ্রীরামপুরে আসেন।পরে শ্রীরামপুর থেকে ব্যারাকপুরে যাওয়ার সময় গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন (Hooghly)।













