বাংলাহান্ট ডেস্ক: খুলে দেওয়া হল দেশের দীর্ঘতম রেল টানেল। মঙ্গলবার উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুল্লা রেল লিঙ্কে (USBRL) দেশের দীর্ঘতম পরিবহন টানেলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী সবুজ পতাকা দেখিয়ে কাশ্মীর উপত্যকার প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন উদ্বোধন করলেন। এই টানেলের মধ্যে দিয়ে আজ থেকে শুরু হল নিয়মিত ট্রেন চলাচল।
দুটি বৈদ্যুতিক ট্রেনের ফ্ল্যাগ অফ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্রেনগুলি এখন বারামুল্লা থেকে বানিহাল হয়ে সাঙ্গলদান পর্যন্ত চলতে পারে, যা আগে শেষ বা উৎপত্তিস্থল স্টেশন ছিল। এর মধ্যে একটি ট্রেন শ্রীনগর থেকে সাঙ্গলদান এবং অন্যটি সাঙ্গলদান থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত চলবে। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই টানেলের কিছু বৈশিষ্ট্য।
আরোও পড়ুন : বড়সড় উদ্যোগ সরকারের! এই জেলায় তৈরি হল অভিনব নীল রাস্তা, বৈশিষ্ট্য জানলে চমকে উঠবেন
• 48.1 কিলোমিটার দীর্ঘ বানিহাল-খারি-সাম্বার-সাঙ্গলদান রেলপথের উপর নির্মাণ করা হয়েছে এই টানেল।
• এই টানেলের নাম দেওয়া হয়েছে T 50। এই টানেল 12.77 কিলোমিটার দীর্ঘ।
• এই টানেলের মধ্যে দিয়ে বারামুল্লা থেকে বানিহাল হয়ে সাঙ্গলদান পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
• এই টানেলের ভিতরে একটি 375 মিটার দীর্ঘ একটি এমার্জেন্সি টানেল তৈরি করা হয়েছে, যেটি জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীদের বাঁচাতে সাহায্য করবে।
• অগ্নিনির্বাপনের জন্য এই টানেলের দুই পাশে জলের পাইপ বসানো হয়েছে।
প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউএসবিআরএল-এর প্রথম বিভাগ কাজিগুন্ড-বারামুল্লা শাখাটি চালু করেছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার।এনআর আধিকারিকদের মতে, বানিহাল-খারি-সুম্বার-সাঙ্গলদান বিভাগটি খোলার ফলে তারা উত্তরে কাশ্মীর উপত্যকা থেকে দেশের দক্ষিণ প্রান্তে কন্যাকুমারী পর্যন্ত ট্রেন চালানোর স্বপ্ন পূরণের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।