আগামীকাল, শনিবার বড় মিশন। তার আগে দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত তিরুপতি (tirupati) মন্দিরে পুজো দিতে গেলেন ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানীরা। এর আগেও চন্দ্রযান-২ উত্ক্ষেপনের সময় মন্দিরে পুজো দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও ইসরোর বিজ্ঞানীদের এই দেব ভক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিজ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও কেন ধর্ম ভক্তি, তা নিয়েও বিঁধেছিলেন সমালোচকরা।
আগামীকাল PSLV-C49 এর পিঠে চেপে নয়টি স্যাটেলাইট মহাশূন্যের পথে পাড়ি দেবে। বিকেল তিনটে বেজে দুমিনিটে শ্রীহরিকোটার লঞ্চপ্যাড থেকে উৎক্ষেপিত হবে এই PSLV-C49। এই নয়টি কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে ৩ টি ভিন্ন দেশের৷ স্যাটেলাইট গুলি আবহাওয়া সংক্রান্ত। কৃষি, বনাঞ্চল রক্ষা ও প্রাকতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই স্যাটেলাইট গুলি।
এদিন তিরুপতি মন্দিরে PSLV-C49 এর একটি রেপ্লিকা নিয়ে পুজো দিতে যান বিজ্ঞানীরা। অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের চিত্তুর জেলার অন্তর্গত তিরুপতির তিরুমালা শৈলশহরে অবস্থিত একটি অন্যতম প্রধান বিষ্ণু মন্দির। এই মন্দিরের প্রধান উপাস্য দেবতা হলেন হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর অবতার বেঙ্কটেশ্বর। তিরুমালা বেঙ্কটেশ্বর মন্দির তিরুপতি মন্দির, তিরুমালা মন্দির ও তিরুপতি বালাজি মন্দির নামেও পরিচিত।
হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, কলিযুগের দুঃখ ও যন্ত্রণা থেকে মানব সমাজকে ত্রাণ করতে বিষ্ণু তিরুমালায় ‘বেঙ্কটেশ্বর’ রূপে অবতীর্ণ হয়েছেন। এই জন্য এই মন্দিরটিকে ‘কলিযুগ বৈকুণ্ঠম্’ বলা হয় এবং বেঙ্কটেশ্বরকে বলা হয় ‘কলিযুগ প্রত্যক্ষ দৈবতম্’ (কলিযুগের প্রত্যক্ষ দেবতা)। ‘বালাজি’, ‘গোবিন্দ’ ও ‘শ্রীনিবাস’ নামেও পরিচিত।