বাংলা হান্ট ডেস্ক: একেই শীতকাল। এই সময় মানুষ নানান জায়গা ঘুরতে যায়। কিন্তু আপনি যদি অফিসে ছুটি না পেয়ে থাকেন। তাহলে মন খারাপ করতে হবেনা। মাত্র ৩ ঘন্টায় পৌঁছে যেতে কৈখালি (kaikhali)। এখানে গেলে আপনি শহরের কোলাহল থেকে দূরে থাকতে পারবেন। পাশাপাশি প্রান ভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে অনায়াসে ২ দিন কাটিয়ে আসতে পারবেন।
শীতের আমেজ গায়ে মেখে ঘুরে নিন কৈখালি (kaikhali)
নতুন বছর পড়েছে বেশি দিন হয়নি। এই সময় সকলেই কোথাও না কোথাও ঘুরতে যেতে চায়। অফিস করে আপনি ছুটে ম্যানেজ করতে পারছেন না। কিন্তু সপ্তাহের শেষে হাতে তিন ঘন্টা সময় নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন কৈখালি (kaikhali)থেকে। এইখানে আপনি পড়ন্ত বিকেলে প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন।

আরও পড়ুন: ভুল করে রান্নায় বেশি তেল পড়ে গেছে? হেঁশেলে লুকিয়ে থাকা এই টোটকায় ঠিক হয়ে যাবে স্বাদ
এখানে আসলে পরে আপনি যেতে পারেন নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রম। এখানকার স্নিগ্ধ পরিবেশে আপনার মন শান্ত হবে। চাইলে আপনি এখানে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন। ইচ্ছে থাকলে এখানে মধ্যাহ্নভোজ করতে পারবেন।
এছাড়া কৈখালি থেকে কিছুটা দূরে নদীবক্ষে আপনি ঘুরতে যেতে পারেন। আর এখানে আসলে উপভোগ করবেন সূর্যাস্ত। ছুটির বিকেলে কৈখালী ঘুরতে আসার এটি একটি অন্যতম কারণ। কৈখালির কিছুটা দূরেই রয়েছে ঝড়খালি। যেখানে রয়েছে ব্যাঘ্র পুণবার্সন। কপাল ভালো থাকলে আপনি এখান থেকেই রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেখা পেতে পারেন।
কীভাবে যাবেন ও কোথায় থাকবেন?
আপনি চাইলে গাড়ি নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৈখালিতে (kaikhali) যেতে পারেন। অথবা কলকাতা থেকে বারুইপুর হয়ে জয়নগর, মজিলপুর- নিমপীঠ হয়ে পৌছিয়ে যেতে পারেন কৈখালি। যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা। এছাড়াও শিয়ালদহ থেকে নামখানা লোকালের চেপে আপনি জয়নগর-মজিলপুর স্টেশন হয়েও পৌঁছে যেতে পারেন। ইচ্ছে হলে এখানে মাতলার তীরে রাত কাটাতে পারেন। অথবা কৈখালিতে বেশ কয়েকটা পর্যটন আবাসন রয়েছে। তবে এখানে থাকার জন্য আগের থেকে রুম বুক করে আসা উচিত।












