বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের তরফ থেকে নেওয়া হল এক বড় উদ্যোগ। এবার থেকে কেদারনাথ (Kedarnath) যাত্রা করা হবে আরও সহজ। কারণ, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে জন্য এবার ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সুরঙ্গ পথ তৈরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সুরঙ্গটি কালীমঠ উপত্যকার চৌমাসিকে সোনপ্রয়াগের সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এর আগে সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত ১২.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে তৈরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।
কেন্দ্রের প্রকল্পে ৭ কিমি সুড়ঙ্গপথ, সহজ হচ্ছে কেদারযাত্রা (Kedarnath)
প্রতিবছর কেদারনাথে (Kedarnath) পুণ্যার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। আর পুণ্যার্থীদের কথা মাথায় রেখে যাতায়াত পথ সহজ করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, কেদারনাথ যাওয়া আসার জন্য দুটি আলাদা সুরঙ্গ পথ তৈরি হবে। এর ফলে সোনপ্রয়াগে যাওয়ার বিকল্প পথ তৈরি হবে। পাশাপাশি সুরঙ্গের ভিতরে থাকবে আপাতকালীন গতিপথ। যাতে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা অন্য কোন বিপদ হলে এই সুরঙ্গ থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসা যায়।

আরও পড়ুন: রেলযাত্রীদের জন্য বড় খবর, শালিমার নয় এবার হাওড়া থেকে ছাড়বে বহু দূরপাল্লার ট্রেন
উল্লেখ্য, এই সুরঙ্গ পথ তৈরি করার আগে রোপওয়ের জন্য ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করবে আদানি গোষ্ঠী। আগামী ছয় বছরের মধ্যে কেদারনাথের এই রোপওয়ে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি অমরনাথের পর ভারতের অন্যতম কঠিন হিন্দু তীর্থস্থান হল উত্তরাখন্ডের কেদার ও বদ্রী। অতীতের তুলনায় বর্তমানেই পথ কিছুটা সুগম হয়েছে।
সোনপ্রয়াগ থেকে গৌরীকুণ্ড পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তা এখন গাড়িতে যাওয়া যায়। তারপরেও গৌরীকুণ্ডো থেকে ১৬ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করে কেদারনাথ (Kedarnath) পৌঁছতে হয়। তবে এই কঠিন পথেই এবার প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের জন্য সুগম হতে চলেছে। পাশাপাশি সময় লাগবে এর বর্তমানে তুলনায় আরো অনেক কম। যেখানে কেদারনাথ পৌঁছতে গৌরীকুণ্ড থেকে পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চেপে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা সময় লাগে। সেখানে রোপওয়ের মাধ্যমে তা মাত্র ৩৬ মিনিটে হয়ে যাবে।












