কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন পুনরুজ্জীবনের কাজ এগোলো, কবে চালু হবে পরিষেবা?

Published on:

Published on:

kolkata Metro good news for passengers extra metro services on new years Eve
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : বিগত কয়েক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন (Kolkata Metro)। পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ার পর থেকেই তড়িঘড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টেশনটিকে। পরিকাঠামো গত সমস্যার কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নতুন করে গড়ে তোলা হবে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনকে। সে সময় মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, ৮-৯ মাসের মধ্যেই ফের চালু হয়ে যাবে স্টেশন। কিন্তু ছয় মাস হতে চলছে, অথচ এখনও কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন। এবার এ বিষয়ে মুখ খুলল মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

কবি সুভাষ মেট্রো (Kolkata Metro) নিয়ে মুখ খুলল কর্তৃপক্ষ

মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে, স্টেশনের আপ প্ল্যাটফর্ম কাঠামো সংস্কারে নকশা ও প্রকল্প ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনের সংস্কার মেট্রোর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।

Kolkata Metro authority opened up about kavi subhash station

তৈরি রক্ষণাবেক্ষণ শেড: মেট্রোর তরফে আরও জানানো হয়েছে, ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আলাদা শেডের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। কবি সুভাষ স্টেশনেরই পরবর্তী একটি অংশে রয়েছে একটি রক্ষণাবেক্ষণ শেড। এখানে মূলত রাতে ট্রেনের মেরামতি এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়ে থাকে। সেই কারণে ট্রেনগুলিকে কবি সুভাষ স্টেশনের (Kolkata Metro) পর পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয় নিয়মিত ভাবে। তবে টালিগঞ্জের পুরনো শেডকেও নতুন ভাবে শুরু করার চেষ্টা করছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন : ৫,৬০০ টাকায় শুরু ব্যবসা, আজ গড়েছেন ৪২০ কোটির সংস্থা, Shark Tank India-র বিচারক হলেন কণিকা

কী জানালেন আধিকারিক: এ বিষয়ে মেট্রোর এক আধিকারিক বলেন, দুর্গাপুজোর সময় টানা পরিষেবা চালু ছিল। পরবর্তীতে যাত্রী চাহিদা আরও বেড়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় পরিষেবা অক্ষুন্ন রেখে প্রয়োজনীয় বদল আনা যথেষ্ট কঠিন হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন : ‘আমি কি বাঁচব?’ সবকটা ঘুমের ওষুধ খেয়ে প্রথমে কী করেছিলেন দেবলীনা?

প্রসঙ্গত, এক সময়ে অত্যন্ত ব্যস্ত স্টেশন হিসেবে পরিচিত ছিল কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন। প্রতিদিন বহু মানুষের যাতায়াত ছিল এই স্টেশনে। এতদিন ধরে স্টেশনটি বন্ধ থাকায় বড়সড় সমস্যায় পড়েছেন এখানকার মানুষ। গড়িয়া এলাকার বাসিন্দাদের এখন নিকটবর্তী শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন (Kolkata Metro) থেকে দুবার অটো বদলাতে হয়। এতে একদিকে যেমন খরচ বাড়ছে, তেমনই লাগছে সময়ও। তাই এবার তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করার দিকে জোর দিচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।