মাত্র ১২০ টাকায় ঘুরল ভাগ্য! লটারি জিতেই রাজমিস্ত্রি থেকে রাতারাতি কোটিপতি নিমাই

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: কোটিপতি (Crorepati) হওয়ার স্বপ্ন কার না থাকে! কিন্তু কোটিপতি হওয়া তো আর মুখের কথা নয়। আর বিশেষ করে যারা দিনের পর দিন অভাব-অনটনের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা তো কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখতে আরও বেশি ভয় পান। কেউ কেউ তো আবার রসিকতা করে বলেন ‘ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা’।

তবে এই প্রবাদকে ভুল প্রমাণ করে ইতিপূর্বে বহু মানুষ দেখিয়ে দিয়েছেন ছেঁড়া কাঁথায় শুয়েও লাখ টাকার স্বপ্ন সত্যি করা সম্ভব। ঠিক তেমনি লটারির টিকিট কেটে রাতারাতি ভাগ্য বদলে যাওয়ার ঘটনাও দেখা যায় হামেশাই। যার ফলে অনেক সময় দেখা যায় কখনও চা-ওয়ালা, রিক্সাওয়ালা তো কখনও আবার কোনো কৃষক-ও  নিজের শখের বসে এই লটারির টিকিট কেটে রাতারাতি হয়ে উঠেছেন কোটিপতি।

সম্প্রতি তেমনই লটারির টিকিট (Lottery Ticket) কেটে এই একইভাবে ভাগ্য বদলে যাওয়ায় ঘটনায় একেবারে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন পেশায় রাজমিস্ত্রি নিমাই সরকার (Nimai Sarkar) নাম এক ব্যক্তি। মালদার ইংলিশ বাজার ব্লকের ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তাঁতিপাড়া এলাকার বাসিন্দা নিমাই বাবুর অভাবের সংসার।

স্ত্রী-সন্তান মিলিয়ে পরিবারের ৫ সদস্যের পেট চালাতে এমনিতেই হিমশিম খাওয়ার জোগাড় হয় নিমাই বাবুর। তবে এদিন নিতান্ত শখের বসেই ১২০ টাকা দিয়ে ডিয়ার লটারির টিকিট কেটেছিলেন। কিন্তু তখন তিনি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি যে প্রথম পুরস্কার বিজেতা হিসেবে এক কোটি টাকা জিতবেন তিনি।

আরও পড়ুন: খেল দেখাল সুরা! আগের বছরের তুলনায় বিক্রি হল কোটি টাকার বেশি মদ, মোটা লাভ রাজ্য সরকারের

তাই এদিন যখন বিজেতা হিসেবে নিজের নামটা জানতে পারলেন তখন আর চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি নিমাই বাবু। তবে জানা গিয়েছে এদিন লটারি টিকিটের জেতার পরেই নিরাপত্তার জন্য তিনি দ্বারস্থ হয়েছেন নিকটবর্তী মিল্কি ফাঁড়ির। এতদিন নিমাইবাবুর আফসোস ছিল তিনি নিজের রাজমিস্ত্রি হলেও নিজের শখের বাড়ি বানাতে পারেননি।

তাই এবার তিনি ঠিক করেছেন অভাবের সংসারে এই লটারি টিকিটে জেতা এক কোটি টাকা দিয়েই  নিজের পরিবারের অর্থাৎ স্ত্রী এবং দুই ছেলে মেয়েকে ভালো রাখার পাশাপাশি নিজের পছন্দ  মত একটি বাড়ি তৈরি করবেন তিনি। তবে সেই সাথে এদিন নিমাই বাবু জানিয়েছেন ভবিষ্যতে লটারি টিকিটের পিছনে এইভাবে আর আর টাকা খরচ করবেন না তিনি।

Anita Dutta

অনিতা দত্ত, বাংলা হান্টের কনটেন্ট রাইটার। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৪ বছরের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X