বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০২৫ সাল গড়িয়ে ২০২৬ সাল চলে এল। তবে ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে উচ্চবাচ্য নেই সরকারের। এদিকে বহু টালবাহানার পর শুনানি শেষ হলেও ডিএ মামলার ঘোষণা হয়নি এখনও। গত বছর ৩১ ডিসেম্বর ষষ্ঠ পে কমিশনেরও (6th Pay commission) মেয়াদ শেষ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উঠছে সপ্তম পে কমিশন গঠনের দাবি। সবমিলিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের। এরই মধ্যে ডিএ বিষয়ে বিষয়ে বার্তা দিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়।
ডিএ ইস্যুতে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের! Dearness Allowance
সমাজমাধ্যমে মলয়বাবু লিখেছেন, ‘রাজ্যে চলমান ষষ্ঠ বেতন কমিশনে কেন্দ্রের থেকে ডিএর ফারাক ০১.০১.২৬ পর্যন্ত ৪২% হতে চলেছে৷’ যা ‘মাত্রাহীন ডিএ বঞ্চনা’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি৷ মলয়বাবু বলেন, ‘গত ০১.০১.২৫ এইরাজ্যে এক কিস্তি বা ৪% ডিএ দেওয়ার পর আর কোনও ডিএ’র দেখা নেই৷ কর্মীমহল আশা করেছিল ০১.০১.২৬ থেকে অন্তত এক কিস্তি ডিএ’র দেখা মিলবে, কিন্তু ডিএ’র দেখা নেই৷’
এর আগে ডিএ বিষয়ক কথা বলতে গিয়ে মলয়বাবু বলেছিলেন, ‘পঞ্চম বেতন কমিশনের যে এক কিস্তি ডিএ ৫৪ মাস পরে দিয়েছে সরকার। ষষ্ঠ বেতন কমিশনে মোট পাঁচ কিস্তি ডিএ দিয়েছে। ২০ সালে বেতন কমিশন লাগু করেছে ডিএ ছাড়া। ২১ সালে ১ কিস্তি দিয়েছে তিন শতাংশ। ২২ সালে কোনও ডিএ দেয়নি। ২৩ সালে তিন শতাংশ।’
গত বছরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, ‘২৪ সালে সরকার দিয়েছে দু’কিস্তি। জানুয়ারি ও এপ্রিলে। তার মূল কারণ হল ২৪ সালে লোকসভা ভোট ছিল। ২৫ সালের এপ্রিল মাসে ১ কিস্তি।’ মলয়বাবু বলেন, ২০২০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর হয়েছে। তারপর থেকে গত ৫ বছরে রাজ্য সরকার মাত্র ৫টি কিস্তিতে ডিএ দিয়েছে। প্রথমে ৩% তারপর যথাক্রমে ৩%, ৪%, ৪%, এবং ৪%। সবমিলিয়ে ১৮ % ডিএ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গে নয়া রেকর্ড শীতের! ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত নামবে তাপমাত্রা, বৃষ্টি রাজ্যের একাধিক জেলায়
এবারে নিজের ফেসবুক বার্তায় মলয়বাবু স্পষ্ট লিখেছেন,’ এবছর ভোট, কথাটা নেত্রী যাতে মনে রাখেন৷ ভোটের আগে এপ্রিল থেকে এক কিস্তি ডিএ ছুড়ে দিলে, তাতে যে কর্মীরা বিন্দুমাত্র খুশি হবে না, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা৷’ প্রসঙ্গত, সবকিছু ঠিক থাকলে এপ্রিল মাসে রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমনে রাজ্য ডিএ বৃদ্ধি করবে বলে একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভোটের আগে ডিএ বৃদ্ধি করলেও সরকারি কর্মীরা খুশি হবে না বলেই জানালেন মলয় মুখোপাধ্যায়।












