বাংলা হান্ট ডেস্ক: বছর শুরু হতেই উত্তরবঙ্গবাসীদের জন্য সুখবর। জানুয়ারি মাসের ১৬ তারিখ মাটিগাড়ায় ৫৪ বিঘা জমিতে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যদিও তিন মাস আগে এই ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তবে এবার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হল। মকর সংক্রান্তির পরে উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই দিনক্ষণ সামনে আসতেই প্রশাসনের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।
মাটিগাড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি, শিলান্যাস অনুষ্ঠান ১৬ জানুয়ারি (Mamata Banerjee)
মকর সংক্রান্তির পরই উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করার জন্যই উত্তরবঙ্গের সফর করবেন তিনি । জানা যায় আগামী ১৬ জানুয়ারি মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির নির্মাণ ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা বেড়ে গিয়ে। আর এবার এই নতুন বছরের শুরুতে শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করতে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন তিনি।

আরও পড়ুন: আধার কার্ডে বড় বদল! বাবা বা স্বামীর নাম যুক্ত করতে আর লাগবে না ডকুমেন্ট—জানুন নতুন পদ্ধতি
যদিও তিনি, ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই বছরই শেষ লগ্নে নিউটাউনে দুর্গাঅঙ্গনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এই দুর্গাঅঙ্গনের ভিত্তিপ্রস্তার স্থাপনের পরই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন জানুয়ারি মাসেই শিলিগুড়ি মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করা হবে।
এই মন্দিরটি মাটাগাড়ার মোট ৫৪ বিঘা জমিতে তৈরি করা হবে। এছাড়াও এই মন্দিরের নির্মাণের জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন ইতিমধ্যে মিলেছে। পাশাপাশি পর্যটন দফতরের হাতে থাকা এই জমিতে শুধুমাত্র মন্দির নয়, একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে বলে আগেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল উত্তরবঙ্গ। সেই সময় একাধিকবার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে উত্তরবঙ্গ ছুটে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর সেই সফরের মাঝেই দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দিরের পূজো দিয়েছিলেন তিনি। তারপরই শিলিগুড়িতে বাংলা সবচেয়ে বড় মহাকাল মন্দির তৈরি করার ঘোষণাও করেছিলেন। তবে ২০২৬ নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দিরের শিলালিন্যাস নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।












