টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

‘এখানকার হালুয়া খুবই প্রিয়, এলেই মন শান্ত হয়ে যায়’, ভবানীপুর গুরুদ্বারে গিয়ে বললেন মমতা

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে ভবানীপুরের উপনির্বাচন। নির্বাচনের পূর্বে প্রচারে কোনরকম খামতি রাখতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (mamata banerjee)। কদিন আগে খদিরপুরের ষোল আনা মসজিদের পর, এবার বুধবারই হাজির হলেন ভবানীপুর গুরুদ্বারে।

ভবানীপুর তাঁর নিজের গড়ে হলেও, প্রচারে বিন্দুমাত্র ফাঁক রাখতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী। নিজে মাঠে নামার পাশাপাশি, ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রচারের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন তৃণমূলের বিভিন্ন নেতা মন্ত্রীদের উপর। এরই মাঝে বুধবার ভবানীপুর গুরুদ্বারে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘শুভকামনা জানাতে এবং পেতে এসেছি। সেই স্বাধীনতার সময় থেকে পাঞ্জাবের সঙ্গে বাংলার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। জাতীয় সঙ্গীত লেখার সময় পাঞ্জাব দিয়েই শুরু করেছিলেন কবিগুরু। ২০ বছর আগে পাঞ্জাবের বিভিন্ন জেলায় সফর করে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। আর এই গুরুদ্বারে এলেই মন শান্ত হয়ে যায়। এখানকার হালুয়া খুবই প্রিয়। অনেকবার এখানে এসেছি আমি’।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন কথার মাঝে তুলে আনলেন কৃষক আন্দোলনের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, ‘কৃষক আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, মোবাইলে ভাষণও দিয়েছি। আমার সমর্থন রয়েছে ওনাদের সঙ্গে। একটা টিমও পাঠিয়েছিলাম। যা প্রয়োজন বলবেন, সাহায্য করব’।

তিরিশের মহারণে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েও দলের জয়ের কারণে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তবে তাঁর পরাজয়ের ফলস্বরূপ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৬ মাসের মধ্যে তাঁকে কোন এক কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে দেখাতে হবে। তবেই নিজের আসন ধরে রাখতে সক্ষম হবেন তিনি।

চলছে সেই আসন রক্ষার লড়াই। করোনা আবহে বিরোধীদের শত বাঁধা সত্ত্বেও, শাসকদলের আর্জি মেনে নিয়ে উপনির্বাচনে সম্মতি দেয় নির্বাচন কমিশন। স্থির হয় ভবানীপুর সহ সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে উপনির্বাচন হবে আগামী ৩০ শে সেপ্টেম্বর এবং ফল ঘোষিত হবে আগামী ৩ রা অক্টোবর।

Related Articles

Back to top button