টাইমলাইনভারত

১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে হরিয়ানায় নতুন কারখানা খুলছে Maruti Suzuki, হবে কয়েক হাজার কর্মসংস্থান

বাংলা হান্ট ডেস্ক: আমাদের দেশে অন্যতম গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা হল Maruti Suzuki। ইতিমধ্যেই এই সংস্থা গত বছর তার তৃতীয় প্রোডাকশন প্ল্যান্টের প্রসঙ্গে রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। পাশাপাশি, মনে করা হচ্ছিল যে, হরিয়ানাতেই নতুন এই প্ল্যান্টটি তৈরি হবে। তবে, এবার Maruti Suzuki নিশ্চিত করেছে যে, নতুন এই উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য জমি বরাদ্দ করা হয়েছে।

পাশাপাশি, আরও জানা গিয়েছে যে, এই নতুন প্ল্যান্টটি হরিয়ানার সোনিপাতের কাছে খারখোদায় স্থাপন করা হবে। যা তৈরি হবে ৮০০ একর জমি জুড়ে। তবে, এই প্রসঙ্গে Maruti Suzuki আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু না জানালেও মনে করা হচ্ছে যে, নতুন এই প্ল্যান্টটি সংস্থার সবচেয়ে বড় উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হবে।

১১,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ:
সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, যদি সঠিক সময়ে সমস্ত অনুমোদন পাওয়া যায়, তাহলে সম্ভবত এটি ২০২৫ সালের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে। পাশাপাশি, এটিই হবে প্রথম প্ল্যান্ট যেখানে বার্ষিক ২.৫ লক্ষ যানবাহন তৈরি হতে পারবে। এছাড়াও, Maruti Suzuki এই প্ল্যান্ট তৈরির প্রথম ধাপে ১১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছে।

পাশাপাশি, সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এই প্ল্যান্টে উৎপাড়ন বাড়ানোর ক্ষমতার পাশাপাশি আগামী সময়ে এটিতে প্রয়োজন অনুসারে একটি নতুন “প্রোডাকশন লাইন” স্থাপন করা যেতে পারে। বর্তমানে হরিয়ানায় Maruti Suzuki-র দু’টি উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে যা মানেসার এবং গুরুগ্রামে অবস্থিত। এছাড়াও, গুজরাটে একটি উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে যার মালিকানা রয়েছে সুজুকির কাছে।

কোন প্ল্যান্টে কি গাড়ি তৈরি হয়?
মূলত, গুরুগ্রামে Maruti Suzuki-র তিনটি উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে Alto 800, WagonR, Ertiga, XL6, S-Cross, Vitara Brezza, Ignis এবং Eeco-র মত গাড়িগুলি উৎপাদিত হয়। পাশাপাশি, ২০২১ সাল থেকে এই প্ল্যান্টে বিদেশে রপ্তানির জন্য Jimny-র উৎপাদন শুরু হয়েছে।

পাশাপাশি, এই কোম্পানির মানেসার প্ল্যান্টটি ২০০৭ সালে নির্মিত হয়েছিল। যেখানে বর্তমানে Alto, Swift, Ciaz, Baleno এবং Celerio-র মত গাড়িগুলি উৎপাদিত হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে সেমিকন্ডাক্টর চিপসের ঘাটতির কারণে Maruti Suzuki-র গাড়ি পেতে গ্রাহকদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এছাড়াও, পেট্রোল-ডিজেলের মাত্রাতিরিক্ত দামের কারণেও সিএনজি গাড়ির চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায়, বিপুল সংখ্যক গ্রাহক তাঁদের সিএনজি গাড়ি ডেলিভারির জন্যও অপেক্ষা করছেন।

Related Articles

Back to top button