উদ্বাস্তু সেল তৈরি করে কনভেনারের দায়িত্বে মুকুল, নয়া রণকৌশল তৃণমূলের

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ  নতুন বছর শুরু হতেই পুরভোটের ঘন্টা বেজে গিয়েছে এ রাজ্যে। গত কাল অর্থাত্ শুক্রবার তৃণমূল ভবনে পুরভোটের রণকৌশল নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। সিএএ-এনআরসি-কে হাতিয়ার করেই প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার পিকে বুদ্ধিতেই হয়তো তৃণমূলের নজর উদ্বাস্তুদের ভোটের দিকে। সেই উদ্দেশে উদ্বাস্তু সেল তৈরি করল তারা।

partha
????????????????????????????????????

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন তৃণমূল ভবনে বৈঠকের পর ঘোষণা করেন উদ্বাস্তু সেলের দায়িত্বে কাকে বসানো হবে। মুকুলকেই বসানো হচ্ছে এর দায়িত্বে।তৃণমূল মনে করে লোকসভা ভোটে এই উদ্বাস্তু ভোটের জন্য বেশ কিছু জায়গা হারাতে হয়েছিল ঘাসফুল শিবিরকে। বিজেপি যেভাবে এই ভোটের দিকে নজর দিয়েছিল এবার তারই মোকাবিলায় নামছে তৃণমূল।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন ঘোষণা করেছেন, উদ্বাস্তু সেলের কনভেনার বা আহ্বায়ক হিসাবে  মুকুল বৈরাগ্যকে নির্বাচিত করা হয়েছে। গোটা বিষয়ে তাঁকে তত্ত্বাবোধানেই থাকছে। উদ্বাস্তুদের সমস্যা, অভাব-অভিযোগের কথা সবটাই দেখভাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুকুলকে।

পুরভোটের আগে সিএএ এবং এনআরসি-র বিরুদ্ধে দলীয় মতকে উদ্বাস্তুদের কাছে পৌঁছে দিতেই তিনি কাজ করবেন। একদিকে প্রচার অন্যদিকে সিএএ-এনআরসি-র বিরুদ্ধে আন্দোলন একসঙ্গে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ঘাসফুল শিবিরের। মানুষের কাছে পৌঁছতে এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে দলীয় সংগঠনেও কিছু রদবদল করা হতে পারে। অর্থাত্ দলের সাংগঠনিক রদবদল করেই হোক, কিংবা এনআরসি-সিএএ নিয়ে লাগার আন্দোলন চালিয়েই হোক আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার কিংবা উদ্বাস্তুদের সেন তৈরি করে হোক, একাধিক রণকৌশলের মাধ্যমে ২১ শের নির্বাচনের আগে পুরভোটে এ রাজ্যে নিজেদের জায়গা গেরুয়া শিবিরকে বুঝিয়ে দিতে তত্পর হয়েছে শাসকদল।

সম্পর্কিত খবর